বেলা সাড়ে ১০টা। বিধানসভা যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আগে তিনি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ছিলেন। এবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিধানসভায় গেলেন। ফুল দিয়ে গোটা বিধানসভা সাজিয়ে তোলা হয়েছে। লাল কার্পেটে মুড়ে ফেলা হয়েছে বিধানসভায় ঢোকার সামনের রাস্তা। বিধানসভায় গাড়ি এসে পৌঁছনোর পরই অন্যান্য বিজেপি বিধায়করা মুখ্যমন্ত্রীকে অভিবাদন জানান। এরপরই বিধানসভার বাইরে জুতো খুলে সিঁড়িতে মাথা ঠেকিয়ে ষষ্ঠাঙ্গে প্রণাম করে ভিতরে ঢোকেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিধানসভায় তাঁকে স্বাগত জানান প্রোটেম স্পিকার তথা মানিকতলা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক তাপস রায়।
প্রথামাফিক মুখ্যমন্ত্রীকে বিধানসভা চত্বরে গার্ড অফ অনার দেওয়া হয়। বিআর অম্বেদকরের মূর্তিতে মাল্যদান করে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন শুভেন্দু। তারপর বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর জন্য নির্দিষ্ট ঘরে যান তিনি। সেখানে নিজেই পুজো করেন। শনিবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ব্রিগেডে শপথগ্রহণ করেছিলেন। এবার বিধায়ক হিসেবে বুধবার শপথ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন বেলা ১১টায় শপথ নেন তিনি। তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়। এরপর নিশীথ প্রামানিক, অশোক কীর্তনিয়ারা শপথ নেন।
এদিন ভবানীপুরের বিধায়ক হিসেবেই তিনি বিধানসভায় শপথবাক্য পাঠ করেন শুভেন্দু অধিকারী। এই বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর দুই কেন্দ্রেই প্রার্থী হয়েছিলেন শুভেন্দু। তবে দুই আসনেই জয়ী হয়েছেন তিনি। ভারতীয় সংবিধান অনুযায়ী তিনি একটি আসন থেকেই বিধায়ক হতে পারবেন। সেই সংবিধান মেনেই নন্দীগ্রামের আসনটি ছেড়ে দেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রীর পর শপথ নেন মন্ত্রীসভার অন্যরা। একে একে শপথ নেন, দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, নিশীথ প্রামাণিক ও অশোক কীর্তনিয়া। তারপর অন্যান্য বিধায়কদের শপথগ্রহণ শুরু হয়। উত্তর থেকে দক্ষিণ সব মিলিয়ে মোট ৮০ জন বিধায়ক শপথ নেবেন। শপথ নিলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা হুমায়ুন কবীর। তিনি মুর্শিদাবাদে নওদা ও রেজিনগর থেকে জয়ী হয়েছেন। তবে শুধুমাত্র নওদা কেন্দ্রর জন্য শপথ নিলেন। অর্থাৎ, রেজিনগর কেন্দ্রটি তিনি ছেড়ে দিয়েছেন। আজ ও আগামিকাল এই দু’দিন ধরে বিধানসভার ২৯০ জন বিধায়ক শপথ নেবেন।










1 thought on “Suvendu Adhikari: লাল কার্পেটে ষষ্ঠাঙ্গে শুয়ে প্রণাম, বিধায়ক হিসেবে শপথ শুভেন্দুর”