ভারতীয় ছবি ‘ধুরন্ধর’ কে ঘিরে যখন দর্শকমহলে বাড়ছে উত্তেজনা, ঠিক সেই সময় পাল্টা চর্চায় উঠে এসেছিল পাকিস্তানি ছবি ‘মেরা লিয়ারি’। করাচির কুখ্যাত লিয়ারি এলাকার প্রেক্ষাপটে তৈরি এই ছবিকে অনেকেই ‘ধুরন্ধর’এর জবাব হিসেবে তুলে ধরতে শুরু করেছিলেন। কিন্তু বড়সড় প্রচার এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনা সত্ত্বেও মুক্তির পর বক্স অফিসে কার্যত ভরাডুবি হলো ছবিটির। রিপোর্ট অনুযায়ী, মাত্র ২২টি টিকিট বিক্রি হওয়ার পরই পাকিস্তানের একাধিক প্রেক্ষাগৃহ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে ‘মেরা লিয়ারি’ সিনেমাটি। (Dhurandhar Vs Mera Lyari)
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, ছবিটি মুক্তির পর থেকেই দর্শক টানতে ব্যর্থ হয়। করাচি সহ বিভিন্ন শহরের সিনেমা হলে দর্শক উপস্থিতি ছিল অত্যন্ত কম। কোথাও কোথাও গোটা শো-তেই প্রেক্ষাগৃহ প্রায় ফাঁকা ছিল বলে খবর। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছয় যে, সিনেমা হল মালিকরা লোকসানের আশঙ্কায় ছবিটি সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, মোটে ২২টি টিকিট বিক্রি হওয়ার পরই ছবির প্রদর্শন বন্ধ করে দেওয়া হয় বেশ কয়েকটি হলে। (Dhurandhar Vs Mera Lyari)
মেরা লিয়ারি ছবির গল্প আবর্তিত হয়েছে করাচির লিয়ারি এলাকার অপরাধচক্র, গ্যাং সংস্কৃতি এবং সেখানকার সামাজিক বাস্তবতাকে কেন্দ্র করে। নির্মাতাদের দাবি ছিল, এটি শুধুমাত্র অ্যাকশন বা অপরাধভিত্তিক ছবি নয়, বরং এলাকার বাস্তব জীবনের সংগ্রামও তুলে ধরা হয়েছে ছবিতে। তবে দর্শকদের একাংশের অভিযোগ, ছবির চিত্রনাট্য এবং নির্মাণশৈলীতে সেই গভীরতা দেখা যায়নি, যা বড় পর্দায় দর্শক ধরে রাখতে পারে। (Dhurandhar Vs Mera Lyari)
এদিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবিটি নিয়ে শুরু হয়েছে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া। কেউ বলছেন, পর্যাপ্ত প্রচারের অভাবে সাধারণ দর্শকের কাছে পৌঁছতে পারেনি ‘মেরা লিয়ারি’। আবার অনেকে কটাক্ষ করে লিখেছেন, ‘ধুরন্ধর’-এর সঙ্গে তুলনা টানতেই বাড়তি প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, কিন্তু সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি ছবিটি।
অন্যদিকে, ‘ধুরন্ধর’ নিয়ে ইতিমধ্যেই দর্শকমহলে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। ভারতীয় ছবিটির সঙ্গে তুলনা টেনেই পাকিস্তানি ছবিটিকে ঘিরে আলোচনা আরও বেড়েছে বলে মনে করছেন বিনোদন জগতের একাংশ। তবে ‘মেরা লিয়ারি’-র এই ভরাডুবি পাকিস্তানের চলচ্চিত্র শিল্পের বর্তমান বাজার পরিস্থিতিকেও নতুন করে সামনে এনে দিল বলেই মত সিনে বিশ্লেষকদের। (Dhurandhar Vs Mera Lyari)
কোটি কোটি টাকার ব্যবসার পরেও বকেয়া! প্রশ্নের মুখে ‘ভূত বাংলা’ প্রযোজনা সংস্থা













1 thought on “Dhurandhar Vs Mera Lyari: বিক্রি মাত্র ২২ টিকিট, ‘ধুরন্ধর’-এর পাল্টা দিতে এসে মুখ থুবড়ে পড়ল ‘মেরা লিয়ারি’”