---Advertisement---
lifezone nursing home

The Family Man Actor Sharib Hashmi And Wife Nasreen: বিক্রি করতে হয়েছে গয়না-বাড়ি, চরম আর্থিক সংকটে ফ্যামিলি ম্যান খ্যাত অভিনেতা

May 13, 2026 8:13 PM
---Advertisement---

দ্য ফ্যামিলি ম্যান সিরিজে জেকে তলপাড়ের চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মন জয় করেছিলেন অভিনেতা শরিব হাশমি। তবে বর্তমানে সাফল্যের আলোয় থাকলেও, এক সময় চরম আর্থিক সঙ্কটের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছিল তাঁকে এবং তাঁর স্ত্রী নাসরিনকে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই কঠিন সময়ের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়েছেন অভিনেতা দম্পতি। তাঁদের কথায়, এমন দিনও গিয়েছে যখন সংসার চালানোর মতো টাকাও হাতে ছিল না। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিক্রি করতে হয় গয়না থেকে বাড়ি পর্যন্ত। (The Family Man Actor Sharib Hashmi And Wife Nasreen)

শরিব হাশমি জানান, অভিনয় জীবনের শুরুতে নিয়মিত কাজ না থাকায় দীর্ঘ সময় আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যে কাটাতে হয়েছে। বহু অডিশন দিলেও সুযোগ আসছিল না। সেই সময় পরিবারের সমস্ত দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছিলেন তাঁর স্ত্রী নাসরিন। অভিনেতার কথায়, “এমন সময় গিয়েছে যখন আমাদের কাছে একেবারেই টাকা ছিল না। সংসার চালাতে গয়না বিক্রি করতে হয়েছে। পরে বাড়িও বিক্রি করতে বাধ্য হই।” (The Family Man Actor Sharib Hashmi And Wife Nasreen)

নাসরিনও সেই কঠিন সময়ের কথা বলতে গিয়ে জানান, পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয়ে গিয়েছিল যে ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা বাড়ছিল প্রতিদিন। তবে স্বামীর স্বপ্নে ভরসা রেখেই লড়াই চালিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। তাঁর কথায়, শরিবের অভিনয়ের প্রতি আবেগ এবং পরিশ্রমই তাঁদের ভরসা জুগিয়েছিল। (The Family Man Actor Sharib Hashmi And Wife Nasreen)

অভিনেতা আরও জানান, সেই সময় মানসিক চাপও কম ছিল না। একদিকে সংসারের খরচ, অন্যদিকে কাজের অনিশ্চয়তা—সব মিলিয়ে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছিল। তবে পরিবার এবং স্ত্রীর সমর্থনই তাঁকে ভেঙে পড়তে দেয়নি।

পরবর্তীতে ‘দ্য ফ্যামিলি ম্যান’ সিরিজে মনোজ বাজপেয়ীর সঙ্গে অভিনয়ের সুযোগ পাওয়ার পরই জীবনে বড় পরিবর্তন আসে শরিব হাশমির। সিরিজে তাঁর অভিনয় প্রশংসিত হয় এবং সেখান থেকেই নতুনভাবে পরিচিতি পান তিনি। বর্তমানে একাধিক ওয়েব সিরিজ ও চলচ্চিত্রে কাজ করছেন অভিনেতা।

নিজেদের সংগ্রামের গল্প তুলে ধরে শরিব ও নাসরিন জানিয়েছেন, কঠিন সময় যতই আসুক, ধৈর্য এবং একে অপরের প্রতি বিশ্বাস থাকলে সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।

বিক্রি মাত্র ২২ টিকিট, ‘ধুরন্ধর’-এর পাল্টা দিতে এসে মুখ থুবড়ে পড়ল ‘মেরা লিয়ারি’


Ranita Saha

নতুন নতুন বিষয় জানার ইচ্ছে থেকেই সাংবাদিকতার পেশায় আসা। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতার স্নাতকোত্তরের ছাত্রী। কলেজ জীবন থেকে বিভিন্ন পত্রপত্রিকার লেখালেখি শুরু। বাংলা, ইংরেজির পাশাপাশি হিন্দিতেও স্বচ্ছন্দ। রাজনীতি ছাড়াও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক এবং বিনোদন সংক্রান্ত খবর লিখতে ভালো লাগে। অবসর সময়ে বই একমাত্র বন্ধু। পড়ালেখার পাশাপাশি গান, নাচ এবং আঁকা ভালোবাসার বিষয়।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Join Now

Leave a Comment