মল্ল রাজাদের ঐতিহ্যবাহী রাজধানী বিষ্ণুপুরে সুরের উৎসব। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পর্যটন দফতরের ব্যবস্থাপনায় বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের পোড়ামাটির হাটে, জোড়া মন্দির প্রাঙ্গনে শুরু হয়েছে বিষ্ণুপুর মিউজিক ফেস্টিভ্যাল। পর্যটন মরসুমে মন্দির নগরীতে আসা পর্যটক ও সঙ্গীতপ্রেমীদের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। (Music Festival)
বিশ্বখ্যাত বিষ্ণুপুর ঘরানার শাস্ত্রীয় সংগীত ঐতিহ্যকে দেশ-বিদেশের দরবারে আরও একবার তুলে ধরাই এই উৎসবের মূল উদ্দেশ্য। রংবেরঙের আলোয় সাজানো মঞ্চ, মন্দিরের প্রাচীন স্থাপত্যের পটভূমিতে সুরের মূর্ছনা—সব মিলিয়ে এক অনন্য সাংস্কৃতিক আবহ সৃষ্টি হয়েছে। (Music Festival)
তিনদিন ব্যাপী এই সঙ্গীত উৎসবে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের খ্যাতনামা ধ্রুপদ, খেয়াল ও যন্ত্রসংগীত শিল্পীদের পাশাপাশি বিদেশি শিল্পীদের পরিবেশনাও থাকছে বলে জানা গিয়েছে। প্রতিদিন সন্ধ্যায় শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠান উপভোগ করতে ভিড় জমাচ্ছেন সকলেই। (Music Festival)
উৎসবকে কেন্দ্র করে পোড়ামাটির হাটে বসেছে সরকারি বেসরকারি পর্যটন স্টল, স্বনির্ভর গোষ্ঠীর হস্তশিল্পের স্টল এবং বাহারি খাবারের দোকান। বিষ্ণুপুরের পোড়ামাটির শিল্প, বালুচরি শাড়ি ও স্থানীয় খাদ্যসামগ্রী পর্যটকদের বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। একদিকে যেমন স্থানীয় শিল্পী ও কারিগরদের রোজগারের সুযোগ বাড়ছে, তেমনই পর্যটনের মাধ্যমে আর্থিক গতিশীলতাও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। (Music Festival)
প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা, যান চলাচল ও পর্যটকদের সুবিধার্থে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে, ঐতিহ্য, সঙ্গীত ও পর্যটনের এক সুন্দর মেলবন্ধনে বিষ্ণুপুর মিউজিক ফেস্টিভ্যাল ২০২৬ এখন জেলার সাংস্কৃতিক মানচিত্রে এক উল্লেখযোগ্য অধ্যায় হয়ে উঠেছে। (Music Festival)











