সরকারি সফরের মাঝেই নয়াদিল্লিতে ই-রিকশায় চড়লেন অস্ট্রেলিয়ার জলবায়ু পরিবর্তন ও জ্বালানি মন্ত্রী ক্রিস বোয়েন। শুধু যাত্রী হয়ে নয়, কিছুক্ষণ পর ই-রিকশার চালকের আসনেও বসেন তিনি। ভারতের বৈদ্যুতিক পরিবহণ ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানির প্রসারের দিকটি কাছ থেকে দেখতেই তাঁর এই অভিজ্ঞতা। অস্ট্রেলিয়ার ভারতে নিযুক্ত হাই কমিশনার ফিলিপ গ্রিন এই ঘটনার একটি ভিডিয়ো সমাজমাধ্যম ‘এক্স’-এ পোস্ট করেন। ভিডিয়োতে দেখা যায়, প্রথমে ই-রিকশায় যাত্রী হিসেবে বসেন বোয়েন। পরে নিজেই চালকের আসনে বসে সেটি চালানোর চেষ্টা করেন। (Chris Bowen E-Rickshaw Ride)
জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে ভারতের সঙ্গে বৈঠক
ভারত সফরে এসে জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন ক্রিস বোয়েন। আন্তর্জাতিক সহযোগীদের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করাও তাঁর সফরের অন্যতম লক্ষ্য। বুধবার নয়াদিল্লিতে কেন্দ্রীয় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে বৈঠক করেন বোয়েন। বৈঠকে আসন্ন প্রি-COP মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক এবং COP31-এর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। (Chris Bowen E-Rickshaw Ride)
ভারতের পরিচ্ছন্ন জ্বালানির প্রশংসা
বুধবার ‘পার্টনার্স ইন গ্রীন ট্রানসিশন : অ্যাডভান্সসিং এম্বিশন , অ্যাকশন এন্ড পার্টনারশিপস ফর COP31’ শীর্ষক প্রি-COP আলোচনায় বক্তব্য রাখেন ক্রিস বোয়েন। নয়াদিল্লিতে চিত্তন রিসার্চ ফাউন্ডেশন এবং অস্ট্রেলিয়ান হাই কমিশনের যৌথ উদ্যোগে এই আলোচনা হয়। বোয়েন বলেন, বিশ্বজুড়ে জলবায়ু ও জ্বালানি নীতি তৈরিতে ভারত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ভারতের পরিচ্ছন্ন জ্বালানির প্রসার দেখিয়ে দিচ্ছে যে পরিবেশবান্ধব জ্বালানির দিকে এগোনো অর্থনৈতিক উন্নতির পথে বাধা নয়।
COP31-এর আগে ভারতের অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব
তিনি জানান, জলবায়ু সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের গতি বাড়াতে ভারতের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ। আগামী নভেম্বর ২০২৬-এ তুরস্কে অনুষ্ঠিত হতে চলা COP31-এর আগে বিভিন্ন দেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। (Chris Bowen E-Rickshaw Ride)
বিদ্যুতায়ন ও বিনিয়োগে জোর
ক্রিস বোয়েন জানান, COP31-কে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও স্বচ্ছ করার লক্ষ্য রয়েছে। পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ক্ষেত্রে বিদ্যুতায়ন এবং বিনিয়োগের নিশ্চয়তা থাকবে আলোচনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পাশাপাশি প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্রগুলির বক্তব্যকে আরও গুরুত্ব দেওয়ার কথাও বলেন তিনি। ফিজি ও টুভালুতে প্রি-COP আলোচনার মাধ্যমে সেই দেশগুলির মতামত সামনে আনার ওপর জোর দেন অস্ট্রেলিয়ার মন্ত্রী।








