বাড়ির সামনে বসে মদ্যপান করার প্রতিবাদ করেছিলেন ৭০ বছরের এক বৃদ্ধা। আর তার জেরেই তাঁকে গণধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ উঠল দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ের মোহনলালগঞ্জ এলাকায়। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় অভিযুক্ত দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁদের বিরুদ্ধে বৃদ্ধার পরিবারের তরফে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের নাম রাজেশ ওরফে গুড্ডু (৩০) এবং হরিরাম রাওয়াত (৩৪)। অভিযোগ, বৃদ্ধার বাড়ির কাছে বসে মদ খাচ্ছিলেন ওই দুই ব্যক্তি। তাঁদের সেখানে মদ খেতে দেখে আপত্তি জানান বৃদ্ধা। সেই বিষয়টি নিয়েই দু’পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। অভিযোগ, এরপরই বৃদ্ধার উপর চড়াও হন ওই দুই ব্যক্তি।
Lucknow Incident: আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বৃদ্ধার
পুলিশের দাবি, বচসার পর বৃদ্ধাকে যৌন নির্যাতন করা হয়। এরপর তাঁর উপর শারীরিক হামলা চালান অভিযুক্তরা। সেই সময় লোহার খাটের একটি পায়ে ধাক্কা লেগে গুরুতর আঘাত পান বৃদ্ধা। ওই আঘাতের জেরেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযোগ, ঘটনার পর অপরাধের প্রমাণ লুকানোর চেষ্টা করেন অভিযুক্তরা। বৃদ্ধার দেহ বাড়ির পিছনে একটি অন্ধকার জায়গায় সরিয়ে রাখা হয়। যাতে সহজে কারও নজরে না আসে।
UN-এ পাক সাংবাদিকের প্রশ্নে জয়শঙ্করের কড়া জবাব, ‘সন্ত্রাসী দেশ এই প্রশ্ন করছে!’
সিসিটিভি ফুটেজ দেখে গ্রেফতার দুই অভিযুক্ত
ঘটনার পর বৃদ্ধার পরিবারের তরফে অভিযোগ দায়ের করা হয় মোহনলালগঞ্জ থানায়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তকারীরা এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখেন। পাশাপাশি অন্যান্য তথ্য প্রমাণ ও স্থানীয় সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যের সাহায্যেও অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হয়। (Lucknow Incident)
এরপরই রাজেশ ওরফে গুড্ডু এবং হরিরাম রাওয়াতকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গোটা ঘটনার নেপথ্যে আর কোনও কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। বৃদ্ধার উপর হামলা এবং তাঁর মৃত্যুর ঘটনায় ধৃতদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।









1 thought on “বাড়ির সামনে মদ্যপানে আপত্তি, লখনউয়ে ৭০ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ”
Comments are closed.