বিধ্বংসী হড়পা বানের পর আনুষ্ঠানিকভাবে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান শেষ করেছে নেপাল সরকার। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই মুকুল পুত্রবধূ শর্মিষ্ঠা ভৌমিক রায়ের ফিরে আসা নিয়ে আশঙ্কার মেঘ জমেছে। গত ২১ অগস্ট কৈলাস-মানস সরোবরের উদ্দেশে যাত্রা করেছিলেন। নেপালে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও হড়পা বানের জেরে ২৫ অগস্টের পর থেকে তাঁর সঙ্গে আর কোনও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এই পরিস্থিতিতে শর্মিষ্ঠার বাড়ি ফেরার আশা আর কতটা রইল তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে (nepal flood)।
nepal flood: স্ত্রীকে ফেরাতে হাল ছাড়তে নারাজ শুভ্রাংশু
নেপালের বিপর্যয়ে এখনও নিখোঁজ ১৮৯ জন। সেই তালিকাতেই রয়েছেন মুকুল পুত্রবধৃ শর্মিষ্ঠাও। তবে এতদিন কেটে গেলেও হাল ছাড়তে নারাজ পরিবার। স্ত্রীর সন্ধান পেতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দ্বারস্থ হতে চলেছেন মুকুলপুত্র তথা শর্মিষ্ঠার স্বামী শুভ্রাংশু রায়। চলছে তারই প্রস্তুতি। দুই ছেলে-মেয়েকে বাবার কাছে রেখে একটি পর্যটন সংস্থার সঙ্গে মানস সরোবরে তীর্থ করতে গিয়েছিলেন শর্মিষ্ঠা (nepal flood)।
তিব্বতে ইমিগ্রেশন থেকে চিনের ভিসা হাতে পাওয়ার পর মানস সরোবরের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা ছিল তাঁদের। ২৬ অগস্ট বিপর্যয়ের দিন ভোরেই শর্মিষ্ঠাদের চিন সীমান্তের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা ছিল। শুভ্রাংশু বারবারই বলেছেন, স্ত্রীর সঙ্গে শেষবার যখন কথা হয়, তখনকার তথ্য অনুযায়ী, হড়পা বান আসার আগেই স্ত্রী নিরাপদে চিনের দিকে চলে গিয়েছিলেন। কিন্তু তারপর তাঁদের আর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।
নিখোঁজের তালিকায় তাঁর নাম এখনও রয়েছে। পরিবারের আশা, ফিরে আসবেন শর্মিষ্ঠা। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় দু’বার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেছেন শুভ্রাংশু। রাজ্য সরকারের তরফে নিয়মিত বিদেশমন্ত্রকের মাধ্যমে নেপাল সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হয়েছে বলে আশ্বাস মিলেছে। কিন্তু তারপরও স্ত্রীর একটি খবরও পাননি তিনি। এই আবহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখতে চলেছেন শুভ্রাংশু।











