পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ক্রিকেটে নিয়ম ভাঙার অভিযোগ নতুন নয়। এ বার সেই তালিকায় নতুন বিতর্ক যোগ হল সদ্য শেষ হওয়া পাকিস্তান–অস্ট্রেলিয়া টি–টোয়েন্টি সিরিজে। লাহোরে অনুষ্ঠিত তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার তরুণ অলরাউন্ডার কুপার কনোলি-কে যেভাবে আউট দেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে তীব্র বিতর্ক ছড়িয়েছে ক্রিকেটমহলে।
ঘটনাটি ঘটে ১ ফেব্রুয়ারি, গদ্দাফি স্টেডিয়ামে। অস্ট্রেলিয়ার রান তাড়ার সময় ১৪তম ওভারে স্পিনার মহম্মদ নওয়াজের বল খেলতে এগিয়ে যান কনোলি। ব্যাটে বলে হয়নি। উইকেটের সামনে বল মিস করতেই দ্রুত বেলস ফেলে দেন পাকিস্তানের উইকেটকিপার খাজা নাফে। মাঠের আম্পায়ার তাঁকে স্টাম্পড আউট ঘোষণা করেন এবং কনোলিকে প্যাভিলিয়নে ফিরতে হয়।
কিন্তু পরে টিভি রিপ্লে ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিয়োতে স্পষ্ট হয়, স্টাম্প ভাঙার সময় নাফে যে হাতে উইকেট স্পর্শ করেন, সেই হাতে বল ছিল না। বল ছিল তাঁর অন্য হাতে। অর্থাৎ আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী এই স্টাম্পিং বৈধ নয়। আইসিসি-র নিয়মের ২৯.২.১ ধারায় স্পষ্ট বলা আছে, যে হাত বা বাহু দিয়ে উইকেট ভাঙা হবে, সেই হাতেই বল থাকতে হবে।
Pakistan just invented a new law for wicketkeeping 😭😭
— Suprvirat (@Mostlykohli) February 2, 2026
Pak keeper Khawaja Nafay held the ball in his right hand and stumped with his left hand. Absolute jokers🤣pic.twitter.com/fC2QYks16y
তা সত্ত্বেও মাঠের আম্পায়ার বা টিভি আম্পায়ার কেউই বিষয়টি খেয়াল করেননি। পাকিস্তানের আম্পায়ার নাসির হুসেইন, রশিদ রিয়াজ ও তারিক রাশিদের সিদ্ধান্তেই আউট হয়ে যান কনোলি। খাজা নাফেও পরে স্বীকার করেননি যে আউটটি নিয়মবহির্ভূত ছিল।
যদিও ম্যাচের ফলাফলে এই আউটের বড় প্রভাব পড়েনি। কনোলি যখন আউট হন, তখন অস্ট্রেলিয়ার স্কোর ছিল ৭ উইকেটে ৮২, লক্ষ্য ছিল ২০৮ রান। শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়া মাত্র ৯৬ রানেই গুটিয়ে যায়। তবুও নিয়ম ভাঙা আউট নিয়ে প্রশ্ন উঠছে—এই ঘটনায় কি কোনও পদক্ষেপ নেবে আইসিসি, সেটাই এখন দেখার।











