HDFC ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন অতনু চক্রবর্তী। দেশের বৃহত্তম এই বেসরকারি ব্যাঙ্কের শীর্ষ পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন তিনি। পদত্যাগ করার কারণ হিসাবে HDFC ব্যঙ্কের (Hdfc Bank Chairman Resignation) এই কর্মকর্তা পদত্যাগপত্রে লিখেছেন, “প্রতিষ্ঠানের অনেক সিদ্ধান্তের সঙ্গেই আমি নৈতিক সায় দিতে পারছি না। নৈতিক বিরোধ হচ্ছে বলেই আমি সরে গেলাম।”
অতনু চক্রবর্তীর পদত্যাগের বিষয়ে ব্যাঙ্কের তরফে জানানো হয়েছে, “তিনি নৈতিক কিছু বিষয় উত্থাপন করে প্রতিষ্ঠান থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পদত্যাগপত্রে তিনি লিখেছেন ব্যাঙ্কের বাকি ডিরেক্টররা এমন কিছু সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন যেগুলি সঙ্গে তিনি তাল মেলাতে পারছেন না।”
HDFC বোর্ড তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করার পর রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্ক কেকি মিস্ত্রিকে ব্যাঙ্কের অস্থায়ী চেয়ারম্যান হিসাবে নিয়োগ করেছে। তিনি আজ থেকে কার্যকর গ্রহণ করবেন। এরপরই প্রশ্ন উঠেছে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ এমন কী সিদ্ধান্ত নিয়েছে যেটায় স্বয়ং চেয়ারম্যানেরই কোনও সায় নেই? যদিও এই বিষয়ে এই বিষয়ে HDFC (Hdfc Bank Chairman Resignation) ব্যাঙ্কের প্রাক্তন চেয়ারম্যান অতনু চক্রবর্তী কোন প্রতিক্রিয়া দেননি। HDFC-ও এই বিষয়ে নীরব।
অতনু চক্রবর্তী পদত্যাগ পত্রে লিখেছেন দু’বছর ধরে তিনি অনেক সিদ্ধান্তের সঙ্গে তাল মেলাতে পারছিলেন না। যদিও এই প্রতিষ্ঠানে তাঁর অবদান অপরিসীম বলে মনে করছে একাধিক মহল। ২০২১ সালে অতনু চক্রবর্তী HDFC-র চেয়ারম্যান পদে বসার পর সংস্থার উন্নতি হয়। তাঁর সময়ে একাধিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিনিয়োগের ফলে HDFC ব্যাঙ্কের আর্থিক স্বাস্থ্যের যথেষ্ট উন্নতি ঘটে। বর্তমানে এটি দেশের বৃহত্তম বেসরকারি ব্যাঙ্ক। স্বভাবতই সেই ব্যাঙ্কের অভ্যন্তরে এমন কী ঘটেছে যা নিয়ে স্বয়ং চেয়ারম্যান বিরক্ত ছিলেন তা নিয়ে তুমুল জল্পনা শুরু হয়েছে সংশ্লিষ্ট মহলে।
HDFC-র টপ লেভেলে এই বদলের প্রভাব দেখা গিয়েছে তাদের শেয়ারে। বৃহষ্পতিবার বাজার খুলতেই HDFC-র শেয়ার পড়ে যায় ৭%।

