আজ অর্থাৎ ১ ফেব্রুয়ারি পেশ হলো ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের বাজেট। সেই বাজেটের প্রকাশের কিছু মুহূর্ত আগে বড় ধাক্কা! এক লাফে ৪৯ টাকা দাম বাড়ল বাণিজ্যিক রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডারের দাম। ১৯ কেজি বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডার মূলত হোটেল, রেস্টুরেন্ট, এবং ছোট ব্যবসায় ব্যবহৃত হয়। দেশের তেল বিপণন সংস্থাগুলির এই সিদ্ধান্তে কার্যত চিন্তার ভাঁজ পড়েছে ব্যবসায়ীদের কপালে।
রাজধানীর পাশাপাশি কলকাতা, মুম্বই, চেন্নাইয়ে বাণিজ্যিক এলপিজি গ্যাসের দাম অনুরূপভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কলকাতার ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন দাম হয়েছে প্রায় ১,৮৪৪.৫০ টাকা। দিল্লি এই নতুন দাম হয়েছে ১,৭৪০.৫০ টাকা। মুম্বইতে দাম হয়েছে ১,৬৯২ টাকা এবং চেন্নাইতে এই দাম প্রায় ১,৮৯৯.৫০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছেছে। নতুন দামের প্রভাব সব থেকে বেশি পড়েছে চেন্নাইয়ে। এক বারে ৫০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। জানুয়ারি অর্থাৎ বছরের শুরুতেও দাম বেড়েছিল বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের।

অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়তে পারে খাদ্যশিল্পে। বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট, ক্যাফে এমনকি স্ট্রিট ফুডের দোকানেও মূল জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয় এই বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডার। সুতরাং জ্বালানি কেনার খরচা বাড়লে তার প্রভাব পড়বে খাবারের দামের উপর। ফলে ক্রেতার পকেটে টান পড়তে চলেছে।
তবে গৃহস্থের এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্যে নেই কোনও পরিবর্তন। ১৪ কেজি গার্হস্থ্য এলপিজি সিলিন্ডারের দাম না বৃদ্ধি পাওয়ায় গৃহস্থালিতে স্বস্তির হাওয়া। গত বছরের এপ্রিল থেকেই রান্নার গ্যাসের দামে হয়নি কোনও নড়ন-চড়ন। কলকাতায় ১৪ কেজি রান্নার গ্যাসের দাম রয়েছে ৮৭৯ টাকা। দিল্লিতে ৮৫৩ টাকা,মুম্বইয়ে ৮৫২.৫ টাকা এবং চেন্নাইয়ে ৮৬৮.৫ টাকা।
২০২৫ আর্থিক বছরে বেশ কয়েকবার কমানো হয়েছিল বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের দাম। এপ্রিল থেকে শুরু করে ডিসেম্বর অবধি টানা ছয়বার দাম কমেছে। নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে ছোট ছোট দফায় কমানোর ফলে মোট হিসাবে প্রতি সিলিন্ডারে প্রায় ২২৩ টাকা দাম কমেছিল। সেই তুলনায় এবার ফের ঊর্ধ্বমুখী হল বাণিজ্যিক গ্যাসের দর।












