পশ্চিম এশিয়ায় চলতে থাকা যুদ্ধের প্রভাব ধীরে ধীরে পড়তে শুরু করেছে জ্বালানি বাজারে। তারই জেরে অনেক এলাকায় গ্যাসের জোগান কমে যাওয়া এবং দাম বাড়ার অভিযোগ উঠছে। ফলে এলপিজি চালিত অটোর সংখ্যা আগের তুলনায় কমে যাচ্ছে। বসিরহাট মহকুমার বিভিন্ন প্রান্তে এমনই চিত্র ধরা পড়েছে। হাড়োয়া রোড স্টেশন সংলগ্ন এলাকাতেও একই পরিস্থিতির কথা জানাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও চালকেরা। (LPG)
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আগে যেখানে এই এলাকায় এলপিজি চালিত অটোর সংখ্যা ছিল বেশ ভালোই, এখন তা অনেকটাই কমে গিয়েছে। গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় অনেক চালকই গাড়ি রাস্তায় নামাতে পারছেন না। চালকদের দাবি, আগে প্রতি লিটার গ্যাসের দাম ছিল প্রায় ৭০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে। বর্তমানে সেই গ্যাস কিনতে হচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকায়। ফলে প্রতিদিনের আয়ের তুলনায় খরচ অনেকটাই বেড়ে যাচ্ছে। (LPG)
হাড়োয়া রোড স্টেশন সংলগ্ন এলাকার এক অটোচালক জানান, আগে এই এলাকায় এলপিজি চালিত অটো গাড়ির সংখ্যা ছিল প্রায় ৪০ থেকে ৪১টি। বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ২০ থেকে ২২টিতে। বাড়তি খরচের কারণে অনেক চালকই আপাতত গাড়ি চালানো বন্ধ রেখেছেন বলেও জানান তিনি। (LPG)
এই পরিস্থিতিতে কিছুটা সুবিধা হচ্ছে টোটো এবং ডিজেল চালিত অটোর। এলপিজি চালিত অটো কমে যাওয়ায় যাত্রীরা এখন বিকল্প হিসেবে টোটো বা ডিজেল অটোর দিকে ঝুঁকছেন। ফলে টোটো চালকদের ব্যবসা আগের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে বলেই জানাচ্ছেন স্থানীয়রা। তবে অন্যদিকে বাড়তি খরচ সামলাতে অনেক অটোচালক ভাড়া বাড়ানোর কথাও ভাবছেন। কিন্তু ভাড়া বাড়ালে যাত্রীরা সেই গাড়িতে উঠবেন কি না, তা নিয়েও দুশ্চিন্তায় রয়েছেন চালকেরা। পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেওয়া যায়, সেই দিকেই এখন তাকিয়ে সকলে। তবে সবকিছুর শেষে মুখে চওড়া হাসি টোটো চালকদের। (LPG)












