কর সংক্রান্ত বিষয়ের উপরে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট বড় ধাক্কা খেলেন সেদেশের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা ব্যবহার করে কার্যত সমস্ত বাণিজ্যিক অংশীদারদের উপর ব্যাপক শুল্ক আরোপ করেছে। এর ফলে ট্রাম্প আইনি কর্তৃত্বের সীমা লঙ্ঘন করেছেন বলে পর্যবেক্ষণ সে দেশের শীর্ষ আদালতের। সুপ্রিম কোর্টের ওই ধাক্কার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট বেজায় চটেছেন। হুঁশিয়ারি দিয়ে ট্রাম্প বলেন, আরও অনেক বিকল্প আছে। শুল্ক আরও বৃদ্ধি হতে পারে। শীর্ষ আদালতের রায়কে সমালোচনা করে হতাশাজনক বলে মন্তব্য করেন ট্রাম্প। শুধু তাই নয়, পাল্টা হিসেব যুক্তরাষ্ট্রে সব আমদানির ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের কথা ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
আদালতের গুরুত্বপূর্ণ রায়ের পর ভারতের ওপর বসানো অতিরিক্ত শুল্ক কমে ১০ শতাংশ হয়েছে। প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর নেওয়া আগের সিদ্ধান্ত নিয়েই আইনি প্রশ্ন উঠেছিল। সেই মামলার শুনানির পরই শুল্কের হার নতুন করে ঠিক করতে হয় প্রশাসনকে।
গত কয়েক বছরে ভারত ও আমেরিকার মধ্যে বাণিজ্য নিয়ে টানাপোড়েন চলছিল। ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম-সহ একাধিক পণ্যে শুল্ক বাড়ানো হয়েছিল। এর ফলে ভারতীয় রফতানিকারকদের উপর চাপ তৈরি হয়। বেশি শুল্কের কারণে আমেরিকার বাজারে প্রতিযোগিতা কঠিন হয়ে পড়ছিল ব্যবসায়ী মহলে।
অর্থনীতিবিদদের মতে,শুল্ক কমলে ভারতীয় পণ্য আমেরিকার বাজারে তুলনামূলকভাবে সস্তা হবে। এতে রফতানি বাড়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্কেও ইতিবাচক বার্তা যাবে। কারণ, United States বিশ্বের অন্যতম বড় অর্থনীতি। তাদের নীতির বদল সরাসরি প্রভাব ফেলে আন্তর্জাতিক বাজারে। স্বাভাবিকভাবেই India-র ব্যবসায়ী ও শিল্পমহল এই সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব দিয়েই দেখছে।তবে এখানেই সব শেষ নয়। আদালতের রায়ের পর প্রশাসন ভবিষ্যতে অন্য কোনও পথে নতুন শুল্কনীতি আনে কি না,তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। ফলে আপাতত শুল্ক কমলেও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেটাই এখন দেখার। (Donald Trump)

