অভিনেতা সোনু সুদের পর এবার মুম্বাইয়ের একটা বড়ো অংশ। সোনু সুদের অনুরোধে শেষ পর্যন্ত মুম্বাইয়ের একটা বড়ো অংশকে পশে পেলেন কমেডিয়ান রাজপাল যাদব। কমেডিয়ানের ম্যানেজার জানিয়েছেন, সোনু সুদ,সলমন খান এবং অজয় দেবগনের মতো তারাকারা বলেছেন-পাশে রয়েছেন। (Rajpal Yadav)
কৌতুকাভিনেতার গ্রেফতারের খবর প্রকাশ্যে আসার পরই একজোট হয়ে বলিউড অর্থ সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে অভিনেতার ম্যানেজার গোল্ডি জানিয়েছিলেন,সোনু সুদ,সলমন খান এবং অজয় দেবগনের মতো তারাকারা পাশে থাকার কথা জানিয়েছেন। পরিচালক ডেভিড ধাওয়ানও সাহায্য করতে চেয়েছেন। রতন নৈন,বরুণ ধাওয়ান-সহ অনেকেই ফোন করে আর্থিক সাহায্য ইচ্ছা জানিয়েছেন। (Rajpal Yadav)
বলিউডের এরকম সাড়ায় মনে বল পেয়েছেন রাজপালও। মিকা সিং,গুরু রানধাওয়া,অনুপ জলোটাও আর্থিক সাহায্য করেছেন। বলিউডের তরফে এমন বিপুল সাড়া পেয়ে আপ্লুত রাজপালপত্নীও। স্ত্রী রাধা যাদব বলছেন,সবাই পাশে দাঁড়িয়েছেন। প্রায় গোটা ইন্ডাস্ট্রি সাহায্যের জন্য এগিয়ে এসেছে। সকলকে অনেক ধন্যবাদ জানিয়েছেন।(Rajpal Yadav)
৯ কোটি টাকার চেক বাউন্স মামলায় অভিযুক্ত মুম্বই চলচ্চিত্রের কমেডিয়ান রাজপাল যাদব। এবার জেলমুক্তির আসায় রয়েছেন তিনি। জেলবন্দি থাকাকালীন তাঁর পাশে থাকার জন্য় কাতর আবেদন জানিয়েছিলেন রচপাল। সে আবেদনে সাড়া দিয়ে প্রথমে এগিয়ে এসেছিলেন সোনু সুদ। (Rajpal Yadav)
কিভাবে কমেডিয়ানকে সাহায্য করা যায়, তা নিয়ে মুম্বইয়ে চলচ্চিত্র দুনিয়ার একটা অংশ চিন্তাভাবনা শুরু করেন। চেক বাউন্স মামলায় ইতিমধ্যেই অর্ধেক বকেয়া মিটিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন রজপালের আইনজীবী। যদিও মামলাকারী সংস্থা, অভিনেতার জামিন আবেদনের শুনানি মুলতুবির আর্জি জানায়। সেই প্রেক্ষিতেই সোমবার পরবর্তী শুনানি রয়েছে। সেই দিকে চেয়ে রাজপাল যাদবের আইনি প্রতিনিধি।
ঠিক কী জানালেন তিনি?
ভাস্কর উপাধ্যায়ের মন্তব্য, রাজপালের ম্যানেজার তিহাড় জেলে গিয়ে দেখা করবেন এবং বাকি বকেয়া টাকা কীভাবে মেটানো হবে,সেই সম্পর্কিত আলোচনা করবেন। তাঁর সংযোজন,টাকা ধার নিয়ে যে বিনিয়োগ করা হয়েছিল,তা অস্বীকার করা হয়নি। এর আগেও যখন টাকার কথা উঠেছিল,তখন মামলাকারী সংস্থা টাকা নিতে অস্বীকার করে। ২০১২ সালে উভয়পক্ষের যে চুক্তি হয়েছিল, সেই লেনদেনের হিসেবের সমঝোতা করতেই তিন মাস কেটে গেল। ২০১০ সালে ‘আতা পাতা লাপাতা’ সিনেমার জন্য মুরালি প্রজেক্ট নামে দিল্লির এক সংস্থার থেকে ৫ কোটি টাকা ধার করেছিলেন অভিনেতা। সেই ছবির বক্স অফিসে ভরাডুবি হওয়ায় টাকা ফেরত দিতে পারেননি তিনি। ফলে,মামলা গড়ায় আদালত পর্যন্ত। রাজপালকে আসলে কে টাকা দিয়েছেন? সে সম্পর্কে তিনি কিছুই বলছেন না। এসব পারিবারিক বিষয়। (Rajpal Yadav)
কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে সংশোধনাগারে গিয়ে কীভাবে কী করা যায়,তা নিয়ে রচপালের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। তিনি আরও বলেন, এখনও পর্যন্ত ৫ কোটি টাকার মধ্যে আড়াই কোটি মেটানো হয়েছে। এবার দেখা যাক,সোমবার আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়।(Rajpal Yadav)

