সামনেই পয়লা বৈশাখ অর্থাৎ বাংলা নববর্ষ। নতুন বছরের শুরুটা সুন্দর হোক, এটা সকলেই চাইবেন। কিন্তু শুধু মনে মনে চাইলেই তো আর সব ইচ্ছা পূরণ হয় না, বরং জ্যোতিষশাস্ত্র বলছে এই বিষয়ে কয়েকটি পরামর্শ মেনে চললেই আপনার নববর্ষও শুভ হয়ে উঠতে পারে।
ইংরাজিতে বলা হয়, ‘Morning Shows the Day’ সেভাবেই বছরের শুরুটা ঠিকঠাক না হলে তার প্রভাব পড়তে পারে পরবর্তী ১১টি মাসের ওপরেও। আপনি কি জানেন, বৈশাখ মাসে অজান্তেই করা কিছু ভুল আপনার সারা বছরের সঞ্চয় আর মানসিক শান্তিতে বিঘ্ন ঘটাতে পারে? নিজের এবং পরিবারের শ্রীবৃদ্ধি চাইলে কোন ভুল কাজগুলি একদম করবেন না? দেখে নিন একঝলকে। (Astrology)
Astro Tips: মিটবে আর্থিক সমস্যা, একটি মাত্র মাটির ভাঁড় হতে পারে আপনার মুশকিল আসান
- সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠুন: বেশি বেলার দিকে ঘুম থেকে ওঠা আর নয়। দেরিতে শয্যা ত্যাগ মানেই আলস্য সারা বছর আপনার সঙ্গী হয়ে থাকতে পারে। বৈশাখে যারা সূর্যোদয়ের পরেও দীর্ঘক্ষণ ঘুমিয়ে থাকেন, তাঁদের ওপর দেবী লক্ষ্মী রুষ্ট হন বলে মনে করা হয়।
- আহারে সংযম: বছরের শুরুতেই শরীর ও মনকে শুদ্ধ রাখা প্রয়োজন আহারে সংযম আনা। বৈশাখ মাসে যতটা সম্ভব সাত্ত্বিক খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেয় শাস্ত্র। অতিরিক্ত আমিষ খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো। মনে রাখবেন, এই মাসে সংযমই হলো সাফল্যের চাবিকাঠি।
- দিবানিদ্রা তে ‘না’: দিনের বেলায় অযথা ঘুম এড়িয়ে চলুন। অত্যধিক ক্লান্তি বা অসুস্থতা না থাকলে বৈশাখের দুপুরে ঘুমোনো শাস্ত্রমতে ঠিক নয়। মনে করা হয়, এতে শরীরে অলসতা ও নেতিবাচক প্রভাব বাড়ে। বছরের প্রথম থেকেই নিজেকে কাজকর্মে তৎপর রাখলে ভাগ্য আপনার সহায় হবে।
- জল অপচয় বন্ধ করুন: অযথা জল অপচয় করার মানেই অমঙ্গল। বৈশাখ মানেই কাঠফাটা রোদ আর তীব্র দহন। এই সময় তৃষ্ণার্তকে জল পান করানোই হলো সবথেকে বড় ধর্ম। অকারণে জল নষ্ট করা কিংবা পশুপাখিকে জল না দেওয়া এই মাসে বড় ‘দোষ’ হিসেবে ধরা হয়। (Astrology)
- অক্ষয় তৃতীয়ায় পুণ্য লাভ: এই বৈশাখ মাসেই পালিত হয় অক্ষয় তৃতীয়া। যেকোনও নতুন কাজ শুরু করা, ব্যবসার জন্য কিংবা সোনা-রুপো কেনার জন্য এই দিনটি অত্যন্ত শুভ। এছাড়াও শাস্ত্র বলে, এই গরমে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী ছাতা বা পাখা দান করলে মানসিক শান্তি পাওয়া যায়।
বৈশাখ মাসে এই পরামর্শগুলি মেনে চললে আপনার জীবনেও সুখ এবং সমৃদ্ধি বজায় থাকতে পারে।

