আমরা অনেকেই রাস্তার ধারে একটি বাড়ি বানাতে চাই। এতে যাতায়াতেরও সুবিধা হয়। কিন্তু রাস্তার পাশে বাড়ি হলে অনেক সময় বাড়ির সামনে ইলেকট্রিকের পোস্ট থাকেই। জানেন কি বাস্তুশাস্ত্র মতে বাড়ির মূল দরজার ঠিক সামনে বা একেবারে পাশেই যদি ইলেকট্রিক খুঁটি থাকে, তাহলে তা সংসারের জন্য অশুভ বলে ধরা হয়। বলা হয়, এতে ঘরের ইতিবাচক শক্তি প্রবেশে বাধা পায়। ফলে বাড়িতে অকারণ অশান্তি, সদস্যদের খিটখিটে মেজাজ, মানসিক চাপ এবং শরীর খারাপের মতো সমস্যা বাড়তে পারে।
বাস্তুবিদদের মতে, বাড়ির সদর দরজা দিয়েই শুভ শক্তি ও লক্ষ্মীর প্রবেশ ঘটে। কিন্তু সেই জায়গাতেই যদি বিদ্যুতের খুঁটি দাঁড়িয়ে থাকে, তাহলে শুভ শক্তির প্রবাহ আটকে যায়। এর প্রভাব শুধু সংসারের পরিবেশেই নয়, পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ্য ও মানসিক অবস্থার ওপরও পড়তে পারে। (Vastu Tips)
এছাড়াও বলা হচ্ছে, এমন পরিস্থিতি চাকরি বা ব্যবসার ক্ষেত্রেও বাধা তৈরি করতে পারে। বহু চেষ্টা করেও পদোন্নতি আটকে যাওয়া, কাজে বারবার সমস্যা তৈরি হওয়া বা ব্যবসায় মন্দা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এমনকি সন্তানদের পড়াশোনায় মনোযোগ কমে যাওয়া বা ভবিষ্যতের পরিকল্পনায় বাধা আসার আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন বাস্তুশাস্ত্র বিশেষজ্ঞরা।
Astrology: সাবধান! ১০ মে থেকে রাহুর থাবা পড়তে চলেছে এই চার রশির ওপর
কীভাবে এই সমস্যা থেকে রেহাই মিলবে?
শহর বা গ্রামের সরকারি ইলেকট্রিক খুঁটি চাইলেই তো সরানো সম্ভব নয়। তাই বাস্তুশাস্ত্রে কিছু সহজ প্রতিকারের কথাও বলা হয়েছে।
- খুঁটির মাথায় পাখির বাসা থাকলে তার নেতিবাচক প্রভাব অনেকটাই কমে বলে বিশ্বাস করা হয়।
- এছাড়া সদর দরজার সামনে কাঠের ফ্রেমে অষ্টভুজাকৃতি আয়না লাগানোর পরামর্শ দেওয়া হয়, যাতে খুঁটির প্রতিচ্ছবি সেই আয়নায় পড়ে প্রতিফলিত হয়ে ফিরে যায়। (Vastu Tips)
- দরজার ওপরে টাটকা আমপাতার তোরণ লাগানোও শুভ বলে মনে করা হয়।
- খুঁটি ও দরজার মাঝখানে বড় পাতার গাছ লাগালে তা রক্ষাকবচের মতো কাজ করে বলেও মত বাস্তুশাস্ত্রবিদদের।
- এছাড়া দরজার সামনে সবসময় উজ্জ্বল আলো জ্বালিয়ে রাখা এবং সদর দরজায় সিঁদুর দিয়ে ‘ওঁ’ বা ‘স্বস্তিক’ চিহ্ন আঁকলেও অশুভ শক্তির প্রবেশ কমে বলে বিশ্বাস করা হয়। (Vastu Tips)

