Site icon Hindustan News Point

স্বামীকে খুন করে বাথরুমের মেঝের নিচে পুঁতে রাখার অভিযোগে গ্রেফতার স্ত্রী, ৪৫ দিন পর দেহ উদ্ধার

Agra Murder Case

[ছবি:এক্স]

স্বামী নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ নিজেই থানায় দায়ের করেছিলেন স্ত্রী। কিন্তু প্রায় ৪৫ দিনের তদন্তের পর উঠে এল শিহরণ জাগানো সত্য। (Agra Murder Case) উত্তরপ্রদেশের আগ্রায় এক ব্যক্তিকে খুন করে তাঁর দেহ বাড়ির বাথরুমের মেঝের নিচে পুঁতে রাখার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে মৃতের স্ত্রীকে। পুলিশ বাথরুমের কংক্রিটের মেঝে খুঁড়ে উদ্ধার করেছে ওই ব্যক্তির দেহ।

(Agra Murder Case) পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তির নাম সুরেন্দ্র শর্মা (৪৫)। তিনি আগ্রার সিকন্দরা থানা এলাকার রেণুকা ধাম কলোনিতে পরিবারের সঙ্গে প্রায় ন’বছর ধরে বসবাস করছিলেন। প্রায় ৪৫ দিন আগে তিনি রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যান। তাঁর স্ত্রী রুবি শর্মাই স্বামীর নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ দায়ের করেছিলেন।

(Agra Murder Case) তদন্তে নেমে পুলিশ সুরেন্দ্র শর্মার নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় অসঙ্গতি খুঁজে পায়। এরপর রুবি শর্মাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসে। আগ্রার সহকারী পুলিশ কমিশনার অমিশা জানান, প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে যে রুবি শর্মা তাঁর স্বামীকে খুন করার পর বাড়ির বাথরুমের মেঝের নিচে দেহ পুঁতে দেন। পরে সেই জায়গাটি কংক্রিট দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়, যাতে কেউ সন্দেহ না করে।

(Agra Murder Case) পুলিশের উপস্থিতিতে বাথরুমের মেঝে খুঁড়ে সুরেন্দ্র শর্মার দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত রুবি শর্মাকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে খুনের সম্ভাব্য কারণ জানার চেষ্টা চলছে।

স্থানীয় বাসিন্দা গৌরব দীক্ষিত জানিয়েছেন, সুরেন্দ্র ও রুবি শর্মার মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। সুরেন্দ্র শর্মার বাড়ি রাজস্থানের ভরতপুরে হলেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে আগ্রায় বসবাস করছিলেন। প্রতিবেশীরা সুরেন্দ্রের খোঁজখবর জানতে চাইলে রুবি শর্মা বারবার বিষয়টি এড়িয়ে যেতেন বলেও অভিযোগ করেছেন তাঁরা।

এই ঘটনায় রেণুকা ধাম কলোনি এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ খুনের নেপথ্যে পারিবারিক বিবাদ নাকি অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে।

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান ভারতের, UAPA-তে সন্ত্রাসবাদীদের তালিকা ঘোষণা কেন্দ্রের


Exit mobile version