সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত AI Impact Summit 2026-এ যুব কংগ্রেসের কর্মীদের শার্ট খুলে প্রতিবাদকে কেন্দ্র করে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি উত্তরপ্রদেশের মিরাটে এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সেই ঘটনার উল্লেখ করে তাদের কর্মকাণ্ডের নিন্দা করলেন। এটাকে দেশের জন্য লজ্জাজনক ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করেন।
মোদী বলেন, ‘AI সামিট ছিল একটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসরে ভারতের প্রযুক্তিগত অগ্রগতির দিকটি তুলে ধরার অনুষ্ঠান। সেখানে বিশ্বের ৬৯ টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধির উপস্থিতি ছিলেন। কিন্তু কংগ্রেস এই সম্মেলনকে নিজের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে এটির মর্যাদা নষ্ট করেছে।’ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “দেশ তো জানে যে আপনারা ইতিমধ্যেই নগ্ন, তাহলে আবার কেন শার্ট খুললেন?” তিনি মনে করেন, এই ধরণের প্রতিবাদ শুধু দেশকে লজ্জিত করেছে না, বরং ভারতের সাফল্যকে হজম করতে না পারা রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের নতুন চর্চার বিষয় তৈরিও করে দিচ্ছে।
মোদী বলেন, ‘AI সামিট কোনো রাজনৈতিক দলের ইভেন্ট ছিল না; বরং এটি একটি জাতীয় উদ্যোগ ছিল।’ তিনি কৌতুক করে বলেন, এই সম্মেলন দেশের গর্বের বিষয়, কিন্তু কংগ্রেস এই গৌরবকে নিজের আচরণ দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
এই ঘটনার সূত্রপাত গত শুক্রবার, সে দিন যুব কংগ্রেসের কয়েকজন কর্মীকে দিল্লির ভারত মণ্ডপ-এর প্রদর্শনী হলে প্রবেশ করে শার্ট খুলে সরকার বিরোধী স্লোগান দিতে দেখা যায়। তাঁরা স্লোগানে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে এবং সাম্প্রতিক ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির কাঠামোকে কটাক্ষ করেন। পরে দিল্লি পুলিশ ওই চারজন কর্মীকে গ্রেফতার করে।
তবে এবার প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে যে, তিনি এই ধরনের প্রতিবাদ পদ্ধতির তীব্র বিরোধী। এই ঘটনাকে যে তিনি মোটেই ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন না। যদিও কংগ্রেসের শীর্ষ নেতাদের কাছ থেকে এখনো এ বিষয়ে কোনও স্পষ্ট মন্তব্য আসেনি।

