Site icon Hindustan News Point

Akhilesh Yadav: বাংলা-তামিলনাড়ুতে ফ্লপ, ২০২৭-এর আগে আই-প্যাককে ‘না’ অখিলেশ যাদবের

Akhilesh Yadav

উত্তরপ্রদেশের ২০২৭ বিধানসভা নির্বাচনের আগে বড় কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিল সমাজবাদী পার্টি। দলীয় সূত্রে খবর, রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি (I-PAC)-এর সঙ্গে সম্ভাব্য সমঝোতার আলোচনা আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও (Akhilesh Yadav) অখিলেশ যাদবের নেতৃত্বাধীন দল কখনও আনুষ্ঠানিকভাবে আই-প্যাকের সঙ্গে জোটের কথা ঘোষণা করেনি, তবু গত কয়েক মাস ধরে দুই পক্ষের মধ্যে কথাবার্তা চলছিল বলে জানা গিয়েছে।

দলীয় অন্দরমহলের দাবি, পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুতে আই-প্যাক কাজ করেছিল তৃণমূল ও DMK-র সঙ্গে। আর দুই দলই খারাপ ফল করেছেন। এই নির্বাচনী ফলাফলই এই সিদ্ধান্তের পিছনে বড় কারণ। বিশেষ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং এমকে স্ট্যালিন-এর নেতৃত্বাধীন শিবিরের পরাজয়। যেখানে আই-প্যাক কৌশলগতভাবে যুক্ত ছিল। এই কারণের জন্যই সমাজবাদী পার্টি নেতৃত্বকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে। (Akhilesh Yadav)

সূত্রের মতে, এখন সমাজবাদী পার্টি বাইরের কনসালটেন্সির উপর নির্ভর না করে নিজেদের সংগঠন ও ঘরোয়া রাজনৈতিক পরিকাঠামোর ওপর ভরসা রাখতে চাইছে। মাঠপর্যায়ে কর্মী-ভিত্তিক প্রচার, আঞ্চলিক ইস্যু এবং স্থানীয় নেতৃত্বকে গুরুত্ব দিয়ে এগোনোর রূপরেখা তৈরি হচ্ছে।

 ক্ষমতার সমীকরণে বড় মোড়, TVK-র পাশে কংগ্রেস, AIADMK-র ‘সমর্থন’ নিয়ে জল্পনা: Akhilesh Yadav: বাংলা-তামিলনাড়ুতে ফ্লপ, ২০২৭-এর আগে আই-প্যাককে ‘না’ অখিলেশ যাদবের

এছাড়া, চলতি বছরের শুরুতে আই-প্যাককে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কও সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলেছে। ইডি কলকাতায় সংস্থার অফিস এবং সহ-প্রতিষ্ঠাতা প্রতীক জৈনের বাসভবনে তল্লাশি চালায়, যা কয়লা পাচার মামলার অর্থপাচার সংক্রান্ত তদন্তের অংশ। সেই সময়ে পশ্চিমবঙ্গে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর তৈরি হয় এমনকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে আই-প্যাকের অফিসে গিয়ে কেন্দ্রীয় সংস্থার ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেন।

সমাজবাদী পার্টি সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ওই তল্লাশির দিনেই আই-প্যাকের প্রতিনিধিরা লখনৌতে উপস্থিত হয়ে ২০২৭ নির্বাচনের সম্ভাব্য কৌশল নিয়ে দলের নেতাদের সামনে প্রেজেন্টেশন দিচ্ছিলেন। ঘটনাচক্রে এই সময়কাল এবং পরবর্তী বিতর্ক দলীয় নেতৃত্বের একাংশকে অস্বস্তিতে ফেলে।(Akhilesh Yadav)

সব মিলিয়ে, আই-প্যাকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা রাজনৈতিকভাবে বাড়তি ঝুঁকি তৈরি করতে পারে—এমন ধারণাই এখন জোরালো হয়েছে। যদিও এই নিয়ে দল বা আই-প্যাকের তরফে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি সামনে আসেনি।

উল্লেখ্য, ২০২৭ সালের উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করেছে। সমাজবাদী পার্টি বনাম বিজেপি—এই সরাসরি লড়াইয়ের ইঙ্গিত স্পষ্ট। বেকারত্ব, জাতিগত গণনা, আইনশৃঙ্খলা এবং কৃষক সমস্যার মতো ইস্যুতে আক্রমণ শানাচ্ছেন অখিলেশ যাদব (Akhilesh Yadav)। পরিবর্তিত কৌশল নিয়ে এবার কতটা ফল পায় সমাজবাদী পার্টি সেটাই এখন দেখার।


Exit mobile version