দুই রাজ্যে এবং এক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। অসম, কেরল, পুদুচেরিতে বৃহষ্পতিবার ছিল একদফায় বিধানসভার নির্বাচন। নির্বাচনে অসমে এবার রেকর্ড ভোটদান হয়েছে। বিশেষ করে অসমের মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে ভোটের হার তুলনামূলকভাবে বেশি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি কেরলেও ৭৮ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য।
বৃহষ্পতিবার দিন শেষে সারাদিনে ভোট গ্রহণের পরিসংখ্যানের দিকে নজর রাখলে দেখা যাচ্ছে-
কেরলে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৭৫.০১ শতাংশ। গত বিধানসভা ভোটে এখানে ভোট পড়েছিল ৭৫.৬০ শতাংশ।
অসমে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৮৪.৪২ শতাংশ। ২০২১ সালে অসমে ভোট পড়েছিল ৮২.৪২ শতাংশ।
পুদুচেরিতে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৮৬.৯২ শতাংশ। পাঁচ বছর আগে, ২০২১ সালে পুদুচেরিতে ভোট পড়েছিল ৮৩.৪২ শতাংশ। (Assembly Election)
অসমে মোট ভোটের হার ৮৫ শতাংশের আশপাশে, যা এখনোও পর্যন্ত ওই রাজ্যের ইতিহাসে অন্যতম উচ্চ হারে ভোটদানের পরিসংখ্যান। ভোটারদের এই বিপুল পরিমাণে অংশগ্রহণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় মানুষের আগ্রহ বৃদ্ধির ইঙ্গিত বলেই মনে করা হচ্ছে।
ED Raid: নির্বাচনের আগে রাজ্যে ফের সক্রিয় ইডি, কী কারণে ইডির একযোগে বহু জায়গায় অভিযান?
বিশ্লেষণে দেখা গেছে, অসমের বেশ কিছু আসনে মুসলিম ভোটারদের সংখ্যা বেশি। এই এলাকাগুলিতে ভোটদানের হার রাজ্যের অন্যান্য অংশের তুলনায় বেশি হওয়ায় সামগ্রিক ভোট শতাংশ বাড়তে সাহায্য করেছে। এই অঞ্চলে ভোটারদের সক্রিয় উপস্থিতি নির্বাচনের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। এদিকে কেরল ও পুদুচেরিতেও নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। তিন জায়গাতেই ভোটারদের ব্যাপক সাড়া মিলেছে।
কেরলে ভোটের হার ৭৮ শতাংশের বেশি হয়েছে, যা আগের নির্বাচনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ভোটার তালিকার সংশোধন, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং ভোটারদের বাড়তি আগ্রহ এই সব কারণ মিলিয়েই এবার বিধানসভা নির্বাচনে ভোটারদের অংশগ্রহণ বেড়েছে। (Assembly Election)
আর মাত্র কয়েকদিন বাদেই বঙ্গেও বিধানসভা নির্বাচন। যদিও এরাজ্যে নির্বাচন দু’দফায়। তবে কমিশনের আশ্বাস, অসম বা কেরলের মতো পশ্চিমবঙ্গেও এবার নির্বিঘ্নে শান্তিপূর্ণভাবেই নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে কমিশন।

