Site icon Hindustan News Point

ভোজপুর ‘এনকাউন্টার’ ঘিরে তোলপাড়, যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় DSP-সহ ৫ পুলিশের বিরুদ্ধে FIR

Bhojpur Encounter

পুলিশের এনকাউন্টারে যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় নতুন মোড়। (Bhojpur Encounter) বিহারের ভোজপুর জেলায় ভারত ভূষণ তিওয়ারির মৃত্যুকে ঘিরে বিতর্কের মধ্যেই DSP, SHO-সহ পাঁচ পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে FIR দায়ের হয়েছে। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, আত্মসমর্পণের পর পুলিশ গুলি করে হত্যা করেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজাও তীব্র হয়েছে।

(Bhojpur Encounter) বিহারের ভোজপুর জেলার বহুল চর্চিত ‘এনকাউন্টার’ কাণ্ডে বড় পদক্ষেপ। গত ১৭ জুন পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত যুবক ভারত ভূষণ তিওয়ারির মৃত্যুর ঘটনায় জগদীশপুরের সাব-ডিভিশনাল পুলিশ অফিসার (DSP), শাহপুর থানার তৎকালীন স্টেশন হাউস অফিসার (SHO) এবং আরও তিন পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে FIR দায়ের হয়েছে। মৃতের মা আশাদেবীর অভিযোগের ভিত্তিতেই মামলা রুজু হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভোজপুরের পুলিশ সুপার (SP)।

ঘটনার পর থেকেই ভারত ভূষণ তিওয়ারির মৃত্যুকে ঘিরে প্রশ্ন উঠছিল। পরিবারের দাবি, পুলিশ যে ‘এনকাউন্টার’-এর কথা বলছে, বাস্তবে তা ছিল পরিকল্পিত হত্যা। এ বিষয়ে আশাদেবী জেলা পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেন।

(Bhojpur Encounter) অভিযোগপত্রে তিনি দাবি করেছেন, তাঁর ছেলে দীর্ঘদিন ধরে বন্যায় বাস্তুচ্যুত মানুষের সমস্যা নিয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছিলেন। ঘটনার দিন ভারত, ফেসবুক লাইভে এসে পুলিশের সামনে আত্মসমর্পণ করেন। পরিবারের বক্তব্য, লাইভ চলাকালীনই তিনি নিজের হাতে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র ফেলে দেন। এরপরও পুলিশ তাঁকে ধরে মাটিতে ফেলে দেয় এবং একাধিক রাউন্ড গুলি চালায়।

বজ্রাঘাতের বিভীষিকা মুর্শিদাবাদের গঙ্গার ঘাটে, মৃত্যু ৪; আহত ৩০-এর বেশি

আশা দেবীর অভিযোগ, তাঁর ছেলের শরীরে মোট পাঁচটি গুলি লাগে। আরও গুরুতর অভিযোগ করে তিনি জানিয়েছেন, জগদীশপুরের DSP-র নির্দেশেই গুলি চালানো হয়েছিল। (Bhojpur Encounter) পরিবারের দাবি, ঘটনার পর পুলিশ ভারতকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে যায় এবং দীর্ঘ সময় তাঁদের কোনও স্পষ্ট তথ্য দেওয়া হয়নি। পরে সন্ধ্যায় জানানো হয় যে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।

এই ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অভিযুক্ত পুলিশকর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে পরিবার।

এদিকে (Bhojpur Encounter) ঘটনাটি রাজনৈতিক রংও নিয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চা (HAM)-এর নেতা জিতন রাম মাঁঝি এই ইস্যুতে পাল্টা প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর বক্তব্য, “যাঁরা কোনও দলিত এনকাউন্টারে নিহত হলে তাঁকে নকশাল এবং কোনও মুসলিম নিহত হলে সন্ত্রাসবাদী বলে দাগিয়ে দেন, তাঁরাই এখন ভারত তিওয়ারির এনকাউন্টার নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। কিন্তু সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হল, ভারত তিওয়ারি অবৈধ পিস্তল পেল কোথা থেকে?”

মাঁঝি আরও বলেন, “দেশ কি সংবিধান মেনে চলবে, না কি অবৈধ অস্ত্রের জোরে? ভারত তিওয়ারি কোনও বিপ্লবী ছিলেন না। এর আগেও বিভিন্ন অপরাধমূলক মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।”

পুলিশকর্মীদের বিরুদ্ধে FIR দায়ের হওয়ায় এখন এই বিতর্কিত মৃত্যুর তদন্ত কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষের।

সিঙারা বিলি করতেন বলিউডের বাদশা! শাহরুখের অজানা অতীত ফাঁস পঙ্কজ কাপুরের


Exit mobile version