বিহারের মুজফ্ফরপুর জেলার সাকরা ব্লকের থাটিয়া সিহো গ্রামের এক দরিদ্র পরিবারের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে আচমকাই ক্রেডিট হলো প্রায় ১,৫০০ কোটি টাকা। মুহূর্তের জন্য নিজেদের অ্যাকাউন্টে এত বিপুল অঙ্ক দেখে হতবাক হয়ে যান ৮২ বছরের কামেশ্বর মিশ্র, যিনি স্থানীয়ভাবে ‘ঘুমক্কড়’ নামেই পরিচিত, এবং তাঁর বিশেষভাবে সক্ষম ছেলে। যদিও কয়েক মিনিটের মধ্যেই সেই বিপুল অঙ্ক উধাও হয়ে যায়। পরে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ জানায়, এটি প্রযুক্তিগত ত্রুটির ফল এবং ওই টাকা কখনওই বাস্তবে তাঁদের অ্যাকাউন্টে জমা হয়নি। (Bihar Banking Glitch)
জানা গিয়েছে, বৃদ্ধ কামেশ্বর মিশ্র তাঁর বার্ধক্যভাতা তুলতে স্থানীয় ব্যাঙ্কে গিয়েছিলেন। তিনি নিজের অ্যাকাউন্ট থেকে ১,১০০ টাকা তোলেন। অন্যদিকে, তাঁর ছেলে প্রতিবন্ধী ভাতার টাকা তোলার পর দু’জনেই অ্যাকাউন্টের ব্যালান্স পরীক্ষা করেন। তখনই দেখা যায়, প্রত্যেকের অ্যাকাউন্টে প্রায় ৭৫৯ কোটি টাকা করে রয়েছে। ফলে দুই অ্যাকাউন্ট মিলিয়ে মোট অঙ্ক দাঁড়ায় প্রায় ১,৫০০ কোটি টাকা। (Bihar Banking Glitch)
অস্বাভাবিক এই ব্যালান্স দেখে শুধু বাবা-ছেলেই নন, ব্যাঙ্কের কম্পিউটার অপারেটরও বিস্মিত হয়ে পড়েন। খবর অনুযায়ী, স্ক্রিনে দেখানো অঙ্কটি ঠিকমতো বোঝার জন্য প্রায় পাঁচ মিনিট ধরে সংখ্যাগুলি গুনে দেখেন তাঁরা। এরপর কৌতূহলবশত ওই বিপুল টাকার কিছু অংশ তোলার চেষ্টা করা হলেও প্রতিবারই লেনদেন ব্যর্থ হয়। ব্যাঙ্কের সিস্টেম কোনও লেনদেন সম্পন্ন করতে পারেনি। (Bihar Banking Glitch)
প্রায় দশ মিনিট পরে ফের অ্যাকাউন্ট পরীক্ষা করা হলে দেখা যায়, সেই বিপুল অর্থের আর কোনও অস্তিত্ব নেই। অ্যাকাউন্টে আগের মতোই শূন্য ব্যালান্স বা স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসে। ব্যাঙ্কের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, এটি সম্পূর্ণ প্রযুক্তিগত বিভ্রাটের কারণে স্ক্রিনে ভুল ব্যালান্স দেখিয়েছিল। ওই অর্থ কখনওই গ্রাহকদের ব্যবহারের জন্য উপলব্ধ ছিল না। ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখে ব্যাঙ্কের নির্ধারিত নিয়ম মেনেই তদন্ত করা হচ্ছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। (Bihar Banking Glitch)
আরও পড়ুন :- ফ্রিজের বরফেই দেখলেন মহাদেবের প্রতীক, ভাইরাল ভিডিয়ো ঘিরে আগ্রায় শোরগোল

