আজ (১ এপ্রিল) থেকে দেশজুড়ে শুরু হলো জনগণনা (Census 2027)। তবে এবার ডিজিটাল পদ্ধতিতে এই গণনা চালানো হবে। এটাই ভারতের ১৬তম জনগণনা এবং স্বাধীনতার পর অষ্টম। সেনসাস বা জনগণনার অধিকাংশ তথ্য-পরিসংখ্যানই ২০২৭-এ প্রকাশ করা হবে। এমনটাই জানিয়েছেন সেনসাস কমিশনার মৃত্যুঞ্জয় কুমার নারায়ণ।
এই গণনায় বেশ কয়েকটি ধাপ থাকবে। প্রথম ধাপে থাকবে ‘হাউস লিস্টিং অ্যান্ড হাউজিং অপারেশনস’। যা চলবে ১ এপ্রিল থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। প্রথম দফায় মোট ৩৩টি প্রশ্ন থাকবে। সেই প্রশ্নগুলির মধ্যে ঘরবাড়ির অবস্থা, বাসিন্দার সংখ্যা, দম্পতির সংখ্যা, পরিবারের প্রধানের নাম, লিঙ্গ, সামাজিক শ্রেণি, খাদ্যাভ্যাস, যানবাহন ও অন্যান্য সুবিধা সংক্রান্ত নানান তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
নাগরিকদের সুবিধার্থে নিজের তথ্য জমা দিতে পারবেন ‘এসই পোর্টালে’।
কীভাবে জমা করবেন?
প্রথমে মোবাইল নম্বর দিয়ে লগ ইন করতে হবে। প্রথমে লোকেশন চিহ্নিত করে পরিবারের তথ্য জমা দিতে হবে। এরপরই আপনার ফোনে একটি ১৬ সংখ্যার ‘এসই আইডি’ যাবে। পরে গণনাকারী আপনার বাড়িতে গেলে তাদের সেই ১৬ সংখ্যার ‘এসই আইডি’ দেখালেই হবে। মোট ১৬টি ভাষায় তথ্য জমা দেওয়ার সুবিধা আছে।
রেজিস্ট্রার জেনারেল ও সেনসাস কমিশনার মৃত্যুঞ্জয় কুমার নারায়ণ স্পষ্ট জানিয়েছেন, নাগরিকদের (Census 2027) ব্যক্তিগত তথ্য সম্পূর্ণ গোপন থাকবে। সেনসাস অ্যাক্টের ধারা ১৫ অনুযায়ী এই তথ্য আরটিআইয়ের আওতায় পড়ে না।
ইতিমধ্যেই দিল্লিতে কিছু এলাকায় জনগণনার সময়সূচিও ঘোষণা হয়েছে। যেমন নিউ দিল্লি মিউনিসিপাল কাউন্সিল ও দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় ১৬ এপ্রিল থেকে ১৫ মে পর্যন্ত চলবে প্রথম ধাপ, তার আগে ১ থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত মিলবে সেলফ-এনিউমারেশনের সুযোগ। দ্বিতীয় ধাপ ‘পপুলেশন এনিউমারেশন’। যা প্রথম ধাপ সম্পূর্ণ হওয়ার পর হবে। যা সম্ভবত হবে ২০২৭-এর ফেব্রুয়ারিতে।

