কাউকেই রেয়াত করা হবে না। এবার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিল ভারত। কেন্দ্রীয় সরকার ২৩ জন ব্যক্তিকে বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন (UAPA) ও ১৯৬৭-র অধীনে জঙ্গি (Terrorist) বলে ঘোষণা করা হল (Pakistan)।
সূত্রের খবর, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে UAPA অ্যাক্টের ৩৫ নম্বর ধারায় এই ২৩ জন ব্যক্তিকে জঙ্গি হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে। এই অভিযুক্তরা ‘জইশ-ই-মহম্মদ’ ও ‘লস্কর-ই-তৈবা’-র মতো জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। এদের বিরুদ্ধে জঙ্গি তৈরি করা ও তাদের প্রশিক্ষণ, অস্ত্র সরবরাহ ও সন্ত্রাসবাদী হামলার মতো অভিযোগ রয়েছে(Pakistan)।
এই আইন অনুযায়ী, জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা NIA ভারতে থাকা এই সন্ত্রাসবাদীদের সমস্ত সম্পত্তি ও স্থাবর-অস্থাবর বাজেয়াপ্ত করতে পারবে। এই ব্যক্তিদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হবে এবং তাদের সমস্ত অর্থনৈতিক আদান-প্রদানের নেটওয়ার্ক ব্লক করে দেওয়া হবে। আন্তর্জাতিক স্তরে বা যেকোনো মাধ্যমে এদের কাছে অস্ত্র সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ করার আইনি অধিকার পাবে ভারত।
২০১৯ সালে UAPA আইন সংশোধন করা হয়। সেখানে যে কোনও সংগঠনের মতোই যেকোনও ব্যক্তিকেও ‘সন্ত্রাসী’ হিসাবে ঘোষণা করার ক্ষমতা দেওয়া হয়।
‘সন্ত্রাসবাদী’ তালিকায় থাকা প্রধান ব্যক্তিরা কারা?
১. মাসুদ ইলিয়াস কাশ্মীরি : পাকিস্তানের রাওয়ালকোটের এই বাসিন্দা ২০২২ সালের ২২ এপ্রিল জম্মুর সুঞ্জওয়ানে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলার অন্যতম চক্রী। সে যুবকদের এই দলে নিয়োগ ও অনুপ্রবেশের দায়িত্বে ছিল।
২. মহম্মদ মুসাদ্দিক : ভারতের বিরুদ্ধে একাধিক ভয়াবহ নাশকতার নীল নকশা তৈরি এবং ২০১৬ সালের নাগরোটা সেনা ক্য়াম্পে হামলার নেপথ্যে ছিল।
৩. ফেরদৌস আহমেদ ভাট: পাকিস্তান থেকে পরিচালিত এই জঙ্গি মূলত ভারতে বিদেশি সন্ত্রাসীদের ঢোকানো এবং অস্ত্র সরবরাহের ‘লঞ্চিং কমান্ডার’ হিসেবে কাজ করত।
৪. হারুন রশিদ গানাই : উপত্যকার স্থানীয় যুবকদের জঙ্গি দলে নাম লেখানোর কাজে যুক্ত ছিল।
৫. বিলাল আহমেদ মীর: বিলাল লস্কর-ই-তৈবা ও রেজিস্টান্স ফ্রন্টের সঙ্গে যুক্ত। আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ ও অস্ত্র-শস্ত্র সরবরাহে যুক্ত ছিল।

