বেআইনি নির্মাণ। পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টের নির্দেশে ভাঙা হলো গুরুগ্রামের ডিএলএফ ফেজ-৩ (DLF Phase-3) এলাকায় আবাসিক প্লটের বেআইনি অংশ। চলল উচ্ছেদ অভিযান (Gurgaon Dlf Phase Three)। হাইকোর্টের নির্দেশে চলতি বছরের জুন মাস থেকেই এই অভিযান শুরু করেছে পাঞ্জাব সরকার। অভিযানে বুলডোজার চালিয়ে দুরমুশ করে দেওয়া হয়েছে বাণিজ্যিক দোকান ও বহু অবৈধ আবাসন। রাতারাতি গৃহহীন হয়ে পড়েছেন বহু মানুষ।
সূত্রের খবর, ডিএলএফ রেসিডেন্টস ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (RWA)-এর দায়ের করা একটি মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এই উচ্ছেদ ও ভাঙার নির্দেশ দেয়। প্রায় ৫,১০০টি সম্পত্তির সার্ভে করে শুধুমাত্র ডিএলএফ ফেজ-৩ এলাকাতেই ৩০০টিরও বেশি নিয়ম লঙ্ঘনকারী আবাসন চিহ্নিত করা হয়। আবাসিক প্লটে বেআইনিভাবে (Gurgaon Dlf Phase Three) বহুতল নির্মাণ করে ক্লিনিক, গেস্ট হাউস, জিম, রেস্তোরাঁ ও বিউটি পার্লার চালানো হচ্ছিল।
এছাড়াও নাথুপুর রোড ও এস-ব্লক এলাকায় অবৈধভাবে নির্মাণ একটি বিশালাকার পিজি (PG) বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বাণিজ্যিক লাইসেন্স ছাড়া আবাসিক এলাকায় হাসপাতাল চালানোর অভিযোগে, নাথুপুর রোডের ‘হোটেল মুনলাইট’ (Hotel Moonlight) এবং ‘দ্য মেডিসিটি’ (The Medicity) নামে দুটি হাসপাতাল সিল করে দেওয়া হয়েছে।
হঠাৎ করে এই অভিযান চলায় তীব্র সমস্যায় পড়েছেন, বহুজাতিক সংস্থায় কর্মরত কর্পোরেট কর্মী এবং ভাড়া থাকা সাধারণ পরিবারগুলি। ভাড়াটিয়াদের অভিযোগ, ডিটিসিপি কর্তৃপক্ষের দেওয়া আগাম নোটিশের (Restoration Orders) কথা বাড়িওয়ালারা তাঁদের কাছে সম্পূর্ণ গোপন রেখেছিলেন এবং তাঁদের অগ্রিম টাকা নিয়ে রেখেছিলেন। ফলে হঠাৎ উচ্ছেদের কারণে তাঁরা জিনিসপত্র সরানোরও পর্যাপ্ত সময় পাননি।
ডিটিসিপি (DTCP) স্পষ্ট জানিয়েছে যে, আদালতের পরবর্তী নির্দেশ যতক্ষণ না পর্যন্ত পাওয়া যাচ্ছে, ততদিন ডিএলএফ ফেজ-১ থেকে ফেজ-৫ পর্যন্ত এই উচ্ছেদ অভিযান জারি থাকবে।

