ফুটপাত থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে নাবালিকাকে ধর্ষণ (Delhi Raped)। তারপর খুন। দিল্লির মেহরাউলিতে ঘটে যাওয়া ভয়ঙ্কর এই ঘটনায় বাবলু নামে এক ক্যাব চালককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশি হেফাজত থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় ধৃতের পা লক্ষ্য করে গুলি চালায় পুলিশ। আহত অবস্থাতেই ধৃতকে হাসপাতালে নিয়ে আসে পুলিশ (Delhi Police)।
সূত্রের খবর, মঙ্গলবার রাতে বাবলুকে নিয়ে ঘটনার পুনর্নিমাণের জন্য পুলিশ গুরগাঁওয়ের কাছে ওই জঙ্গলে পৌঁছয়। ক্রাইম সিনে পৌঁছনোর পরই ধৃত পুলিশের হাত ছাড়িয়ে পাানোর চেষ্টা করে। পুলিশ ধৃতকে আটকাতে গুলি চালায়। সেই গুলি গিয়ে লাগে ধৃতের পায়ে। গুরুতর জখম অবস্থাতেই ধৃত বাবলুকে হাসপাতালে ভর্তি করে পুলিশ। এই ভিডিয়োই সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে ধৃতকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে এসেছেন পুলিশকর্মীরা। তার পায়ে একটি কাপড় বাঁধা রয়েছে। হাসপাতালের বেডে শুয়ে ব্যথায় কাতরাচ্ছে বাবলু (Delhi Raped)।
আরও পড়ুন: বজ্রাঘাতের বিভীষিকা মুর্শিদাবাদের গঙ্গার ঘাটে, মৃত্যু ৪; আহত ৩০-এর বেশি
দিল্লির মেহরাউলি এলাকায় ফুটপাত থেকে ওই ১০ বছরের নাবালিকাকে তুলে নিয়ে যায় বাবলু। তারপর ওই নাবালিকাকে গুরগাঁওয়ের কাছে একটি জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। তারপরে খুন করে দেহ ফেলে দেওয়া হয় ওই জঙ্গলে। অভিযুক্তের দেওয়া এই তথ্যের ভিত্তিতেই তদন্তে নামে পুলিশ (Delhi Police))। তারপরেই ওই জঙ্গল থেকে নাবালিকার দেহ উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার রাতে সেই জঙ্গলেই পুনর্নিমাণের জন্য ধৃত বাবলু নিয়ে যায় পুলিশ।
উল্লেখ্য, সোমবার ভোর ৫টা নাগাদ মেহরাউলি থানায় নাবালিকার পরিবারের ফোন যায়। তাঁরা একটি মিসিং ডায়েরি করেন। খবর পাওয়ার পরই তদন্তে নামে পুলিশ। ১০ বছরের ওই নাবালিকা পরিবারের রোজগারে সাহায্য করত। ফুটপাতে বেলুন বিক্রি করত সে। তাঁর পরিবার মূলত বিহারের বাসিন্দা। দিল্লিতে ভাড়া বাড়িতে থাকলেও পরে আর্থিক সমস্যার কারণে সেই বাড়ি ছাড়তে হয়। বর্তমানে তাঁরা ফুটপাতবাসী। নাবালিকার বাবা-মা দিনমজুরের কাজ করেন। সন্তান হারিয়ে শোকাহত পরিবার।

