Site icon Hindustan News Point

অধ্যাপিকাকে মাথা থেঁতলে ‘খুন’! হাড়হিম হত্যাকাণ্ড দিল্লির বুকে, ঘনাচ্ছে রহস্য

Delhi Murder Case

মাথা থেঁতলে ‘খুন’। দিল্লির বুকে ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড (Delhi Murder Case)। পূর্ব দিল্লির বসুন্ধরা এনক্লেভ এলাকার সত্যম অ্যাপার্টমেন্ট থেকে উদ্ধার হয় অধ্যাপিকা দেবস্মিতা পালের রক্তাক্ত দেহ। সূত্রের খবর, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিবাজি কলেজের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপিকা ছিলেন তিনি। তাঁর স্বামী বেঙ্গালুরুতে থাকেন। গত বুধবার থেকে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না বলে জানিয়েছেন পরিচিতরা।

দেবস্মিতার দিদি দেবারতির বক্তব্য, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে একাধিকবার ফোন করেও দেবস্মিতার সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। বাধ্য হয়েই দুপুর আড়াইটে নাগাদ বোনের ফ্ল্যাটে যান তিনি। গিয়ে তিনি দেখেন ফ্ল্যাটের দরজা বাইরে থেকে তালা দেওয়া। তখনই সন্দেহ দানা বাঁধে দেবারতির মনে। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেন তিনি। দরজা ভেঙে ফ্ল্যাটের ভিতর থেকে দেবস্মিতার রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ (Delhi Murder Case)।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে বোঝা গিয়েছে, দেবস্মিতার মাথায় ভারি কোনও বস্তু দিয়ে আঘাত করা হয়েছিল। যার জেরে থেঁতলে গিয়েছে মাথা। পাশাপাশি তাঁর হাতের শিরাও কাটা ছিল বলা তথ্য পাওয়া গেছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, খুন হয়েছেন অধ্যাপিকা। ইতিমধ্যে রুজু হয়েছে খুনের মামলা। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তের স্বার্থে খতিয়ে দেখা হবে সিসিটিভি ফুটেজও, কথা বলা হতে পারে তাঁর পরিচিতজনেদের সঙ্গে।

পুলিশ আরও বেশকিছু তথ্য সংগ্রহ করেছেন। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ফ্ল্যাটে জোর করে ঢোকার কোনও চিহ্ন পাওয়া যায়নি। এই তথ্য থেকে মনে করা হচ্ছে, হত্যাকারী দেবস্মিতার পরিচিত কেউ ছিলেন। তার মুখে, শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন। যা থেকে ধারণা করা হচ্ছে যে, হামলাকারীর সঙ্গে তাঁর ধস্তাধস্তি হয়।

ঘটনাস্থলে পৌঁছান ক্রাইম ব্রাঞ্চ ও ফরেনসিক বিশেষজ্ঞেরা। তাঁরা ঘটনাস্থলের ছবি ও ভিডিয়োগ্রাফি সংগ্রহ করেন। পূর্ব দিল্লির ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ (ডিসিপি) রাজীব কুমার জানিয়েছেন, হত্যাকারীকে শনাক্ত করা এবং এই নৃশংস হত্যার উদ্দেশ্য জানার জন্য সম্ভাব্য সব সূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তদন্ত যত এগোচ্ছে, তত ঘনিভূত হচ্ছে রহস্য। দেহ উদ্ধারের পর, তা পাঠানো হয় লালবাহাদুর শাস্ত্রী হাসপাতালে। সেখানেই ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হবে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের পর, মৃত্যুর কারণ আরও স্পষ্ট হবে।


Exit mobile version