বেরহামপুরে শহর থেকে অপরাধের দুনিয়া উৎখাত করতে মরিয়া ওডিশা পুলিশ (Berhampur encounter)। প্রয়োজনে এনকাউন্টার করতেও পিছপা হচ্ছে না পুলিশের অপরাধ দমন শাখা। দুষ্কৃতী দমনে গত ১০ দিনে পাঁচবার জোড়া এনকাউন্টার হয়েছে শহরে। পুলিশ জানিয়েছে, অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার লক্ষ্যেই এই অভিযান চলছে। শেষ বারের এনকাউন্টারে জখম হয়েছে দুই দুষ্কৃতী। একজন বরগড় থানার নুয়াগাঁওয়ের রঞ্জন মল্লিক এবং অপরজন হিঞ্জিলি থানার একাকার সিকিরি গ্রামের সরোজ পান্ডা ওরফে ভিকি। রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী সুধীর পাত্রের অপহরণ ও খুনের মামলায় দুই দুষ্কৃতী প্রধান অভিযুক্ত ছিল।
ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিল তারা। তদন্তে নেমে দুই অভিযুক্তকে রাজস্থানের ভিলওয়ারা থেকে গ্রেফতার করে ট্রানজিট রিমান্ডে ওডিশায় নিয়ে আসা হচ্ছিল। বেরহামপুরের শহরের রত্নপুর এলাকায় অভিযুক্তরা শৌচকর্মের জন্য পুলিশকে গাড়ি থামানোর অনুরোধ করে। পুলিশ দাবি করেছে, সেই সুযোগে তারা পুলিশের ভ্যান থেকে পালানোর চেষ্টায় করে।
পালোনোর আগে এক পুলিশ কর্মীর কাছ থেকে একটি পিস্তল ছিনিয়ে নিয়ে দুই রাউন্ড গুলিও চালায়। দুষ্কৃতীদের গুলির জবাবও দেয় পুলিশ। পুলিশও পাল্টা দুই রাউন্ড গুলি চালয়। দুই দুষ্কৃতীর মধ্যে রঞ্জনের ডান পায়ে এবং সরোজের বাম পায়ে গুলি লাগে। গুলিতে জখম হলে দুই অভিযুক্তকে উদ্ধার করে বেরহামপুরের এমকেসিজি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে শহরে ধারাবাহিক এনকাউন্টার নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। একদিকে অনেকেই পুলিশের কঠোর পদক্ষেপকে সমর্থন করছেন, অন্যদিকে মানবাধিকার নিয়ে প্রশ্নও উঠছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং শহরের নিরাপত্তা বজায় রাখতেই এই অভিযান চালানো হচ্ছে।

