Site icon Hindustan News Point

Dubai-এর ICU-তে মা, চিকিৎসা বিল ১.২৫ কোটি—দেশবাসীর কাছে সাহায্য প্রার্থনা ভারতীয় দম্পতির

mother in dubai icu 1 2026 03 14 14 09 31

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির আবহের মধ্যেই এক গভীর মানবিক সঙ্কটে পড়েছেন দুবাইয়ে বসবাসকারী এক ভারতীয় যুবক। তাঁর মা গত প্রায় চল্লিশ দিন ধরে দুবাইয়ের একটি হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। চিকিৎসা করাতে গিয়ে ইতিমধ্যেই বিল পৌঁছেছে প্রায় ১ কোটি ২৫ লক্ষ টাকায়। এত বিপুল খরচ সামাল দিতে না পেরে শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন তিনি ও তাঁর স্ত্রী। (Dubai)

তামিলনাড়ুর বাসিন্দা থিলাক্কুমার জলাথু অনিরুথরাজ এবং তাঁর স্ত্রী শামিনি রমেশ প্রায় আট বছর আগে কাজের সূত্রে দুবাইয়ে যান। কিছুদিন আগে তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে দুবাইয়ে যান থিলাক্কুমারের মা। কিন্তু হঠাৎই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। চিকিৎসকরা জানান, মারাত্মক এক ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছেন বৃদ্ধা। এরপরই তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং বর্তমানে তিনি ভেন্টিলেটর সাপোর্টে আইসিইউতে রয়েছেন। (Dubai)

চিকিৎসকদের মতে, তাঁকে অন্তত আরও দু’মাস ভেন্টিলেটরে রাখতে হতে পারে। কিন্তু প্রতিদিনের চিকিৎসা খরচই প্রায় তিন লক্ষ টাকার কাছাকাছি। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও বিশেষ চিকিৎসা মিলিয়ে সেই খরচ আরও বেড়ে যাচ্ছে। ফলে প্রতিদিন কয়েক লক্ষ টাকা করে বাড়ছে হাসপাতালের বিল। ইতিমধ্যেই মোট চিকিৎসা বিল দাঁড়িয়েছে প্রায় ১.২৫ কোটি টাকা, যা মেটানো পরিবারের পক্ষে প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে। (Dubai)

এই পরিস্থিতিতে পরিবারটি মাকে ভারতে ফিরিয়ে এনে চিকিৎসা করানোর কথাও ভাবছিল। চিকিৎসকেরা বাণিজ্যিক বিমানে মেডিক্যাল এসকর্টের মাধ্যমে তাঁকে দেশে আনার অনুমতি দিয়েছিলেন। সেই ব্যবস্থার খরচ ছিল প্রায় সাত লক্ষ টাকা। কিন্তু পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান অস্থিরতার জেরে সেই বিমানযাত্রা বাতিল হয়ে যায়। এখন একমাত্র বিকল্প এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স, যার খরচ প্রায় পঞ্চাশ লক্ষ টাকার কাছাকাছি। (Dubai)

ছোটবেলায় বহু কষ্ট করে ছেলেকে মানুষ করেছিলেন থিলাক্কুমারের মা। আজ সেই মাকে বাঁচানোর লড়াইয়ে কার্যত অসহায় হয়ে পড়েছেন তিনি। বিপুল চিকিৎসা ব্যয়ের সামনে দাঁড়িয়ে তাই সাধারণ মানুষের কাছেই সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন এই ভারতীয় দম্পতি। তাঁদের আশা, মানুষের সাহায্যেই হয়তো আবার সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরতে পারবেন তাঁর মা। (Dubai)


Exit mobile version