বিকেলের নরম আলো। মুম্বইয়ের সমুদ্রতটে হালকা হাওয়া বইছে। কেউ ঢেউ দেখছে, কেউ গল্পে মশগুল। এক পাশে কয়েক জন বসে কাগজে মোড়া গরম গরম সিঙ্গারা, ইডলি ভাগ করে খাচ্ছেন। ঠিক সেই সময়েই দৃশ্যটা একটু বদলে যায়।
মালিকের সঙ্গে নিয়মিত হাঁটতে বেরিয়েছিল পোষ্য কুকুর হাস্কি অ্যাক্সেল। ইনস্টাগ্রামের জনপ্রিয় পেজ @itsaxlthehusky-এর মাধ্যমে সে অনেকেরই চেনা। হঠাৎ হাঁটতে হাঁটতে মাঝপথে থেমে যায় সে। কান খাড়া, নাক সজাগ। বাতাসে ভেসে আসা সিঙ্গারার গন্ধ যেন তাকে দিশা দেখায়।
তারপর আর দেরি নয়। গন্ধ শুঁকতে শুঁকতে সোজা পৌঁছে যায় সিঙ্গারা খেতে থাকা ওই অচেনা দলের সামনে। মুখে কৌতূহল, চোখে আশা। এমন ভদ্রভাবে দাঁড়িয়ে থাকা হাস্কিকে দেখে প্রথমে একটু অবাক হলেও, মুহূর্তেই হেসে ফেলেন সকলে।
তাঁরা অ্যাক্সেলের মালিককে জিজ্ঞেস করেন, “ওকে একটু খাওয়ানো যাবে?” মালিকও স্নিগ্ধ হেসে জানান, “সিঙ্গারার মচমচে খোলসটা ও খুব পছন্দ করে।” (Husky)
সাবধানে এগিয়ে দেওয়া হয় খোলসের এক টুকরো। অ্যাক্সেলও কোনও হুড়োহুড়ি না করে আস্তে করে সেটা মুখে নেয়। ধীরে ধীরে চিবোতে থাকে। পাশে বসে থাকা মানুষগুলোর মুখেও তখন তৃপ্তির হাসি— যেন ছোট্ট এই ভাগ করে নেওয়ার আনন্দটাই মুহূর্তটাকে বিশেষ করে তুলেছে।
ভিডিয়োটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই মন্তব্যের বন্যা। কেউ লিখেছেন, “অল্প থাকলেও ভাগ করে নেওয়ার মনটাই বড়।” কেউ মজা করে বলেছেন, “সিঙ্গারায় যত দিন আলু থাকবে, তত দিন এই হাস্কির টান থাকবে!” (Husky)
শেষ পর্যন্ত বিষয়টা খুব সহজ— সমুদ্রের ধারে এক বিকেল, কয়েকটা সিঙ্গারা, আর এক ভদ্র, লোভী অথচ আদুরে হাস্কি। এতটুকুতেই মন ভালো হয়ে যায়। ব্যস্ত আর অস্থির পৃথিবীর মাঝেও এমন ছোট ছোট মুহূর্তই মনে করিয়ে দেয়, আনন্দ আসলে খুব কাছেই থাকে।










