Site icon Hindustan News Point

সংঙ্কটের আগেই জ্বালানি মজুত রেখেছিল ভারত? তথ্য ফাঁস প্রধানমন্ত্রীর

PM Narendra Modi

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের জেরে বিশ্ব বাজারে জ্বালানির সংঙ্কট তৈরি হয়েছিল। প্রায় ৪ মাসেরও বেশি সময় ধরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছিল হরমুজ প্রণালী। সেই আঁচ এসে পড়েছিল ভারতেও। তবে অন্যান্য দেশের তুলনায় সেই পরিস্থিতি থেকে নিজেদের বের করে আনতে পেরেছিল ভারত। কিন্তু তাহলেও কীভাবে সম্ভব? সেই অসম্ভবকে সম্ভব করার কথাই শোনালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)।

রাজস্থানের বালোত্রা জেলায় একটি সরকারি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi) বলেন, “জ্বালানি সঙ্কট শুরু হওয়ার আগে ভারত প্রায় ২৫ থেকে ২৬টি দেশ থেকে থেকে জ্বালানি আমদানি করত। কিন্তু সঙ্কট শুরুর পর থেকে সেই সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পায়। ৪০টিরও বেশি দেশ থেকে ভারত জ্বালানি আমদানি করতে শুরু করে। কূটনৈতিক সাফল্যের জন্যই এটি সম্ভব হয়েছে।”

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “বিশ্ববাজারে মূল্যবৃদ্ধির ফলে এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে তেল সংস্থাগুলির ৭৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছিল। কিন্তু সরকার সেই বোঝা নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিল। আমরা প্রতি লিটারে আবগারি শুল্ক ১০ টাকা কমিয়েছিলাম। নিশ্চিত করেছিলাম যাতে নাগরিকদের উপর বোঝা না বাড়ে।”

প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, “একবিংশ শতাব্দীর নতুন ভারতের ইচ্ছাশক্তি ও প্রচেষ্টা এই শতাব্দীরই সবচেয়ে বড় জ্বালানি সঙ্কটকে জয় করেছে।”

বিরোধীদের কটাক্ষ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, “সঙ্কটকালে যখন ‘কিছু অশুভশক্তি’ গুজব ছড়ানো ও আতঙ্ক সৃষ্টি করতে ব্যস্ত ছিল, তখন সরকার সাধারণ মানুষের কাছে জ্বালানি পৌঁছে দিতে ব্যস্ত ছিল। যারা ভারতের ব্যর্থতা দেখতে চেয়েছিল, তারা এখন গভীর হতাশার মধ্যে রয়েছেন।”

তাঁর কথায়, কোনও দেশ তখনই প্রকৃত অর্থে সম্মানের সঙ্গে এগিয়ে যেতে পারে, যখন সে জ্বালানির ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর হয়ে ওঠবে। রাজস্থানের নতুন রিফাইনারিকে তিনি ভারতের জ্বালানি স্বনির্ভরতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেন।

নাম-প্রতীকের দাবির পর তৃণমূলের সদর দফতর দখল ঋতব্রত শিবিরের


Exit mobile version