সোমবার লোকসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র হরমুজ প্রণালীতে (Iran War) অস্থিরতা এবং বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। স্পষ্ট বলেন, এই ধরনের হামলা এবং আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথে বিঘ্ন ঘটানো সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য, মেনে নেওয়া যায় না।
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলা করবে ভারত সরকার। মোকাবিলা করতে সাতটি ক্ষমতাপ্রাপ্ত গোষ্ঠী গঠন করেছে ভারত সরকার। মঙ্গলবার রাজ্যসভায় এই ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, ‘‘এই যুদ্ধের ফলে বিশ্বব্যাপী একটি গুরুতর জ্বালানি সঙ্কটের সৃষ্টি হয়েছে। পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কটের প্রভাব মোকাবিলায় জ্বালানি, সরবরাহ শৃঙ্খল এবং সার-সহ বিভিন্ন বিষয়ে কৌশল নির্ধারণ করতে সরকার সাতটি ক্ষমতাপ্রাপ্ত গোষ্ঠী গঠন করেছে।’’
সোমবার লোকসভায় তিনি বলেছিলেন,” ভারতের প্রয়োজনীয় অশোধিত তেল, গ্যাস এবং সারের একটি বড় অংশ এই পথ দিয়েই আসে। বর্তমান পরিস্থিতিতে জাহাজ চলাচল কঠিন হয়ে পড়লেও সরকার পরিস্থিতি সামাল দিতে নিরন্তর কাজ করছে। পেট্রোল, ডিজেল ও গ্যাসের সরবরাহ যাতে ব্যাহত না হয়, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে”।
মঙ্গলবার রাজ্যসভায় প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘‘আগামী দিনগুলিতেও ধারাবাহিক ভাবে এই প্রচেষ্টা চলবে।’’ বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য বুধবার বিকেল ৫ টায় সর্বদল বৈঠক ডেকেছে কেন্দ্রীয় সরকার। তবে এই বৈঠকে থাকবেন না প্রধানমন্ত্রী। এই বৈঠকে প্রতিনিধিত্ব করবেন, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংহ এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সর্বদল বৈঠকে থাকবেন না লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তিনি আগেই সেকথা জানিয়েছেন।
সাতটি ক্ষমতাসম্পন্ন গোষ্ঠীর (Iran War) কার্যকারিতা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘‘এই গোষ্ঠীগুলি সরবরাহ শৃঙ্খল, পেট্রোলিয়াম ও ডিজেল, সার, প্রাকৃতিক গ্যাস এবং মূল্যবৃদ্ধির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাৎক্ষণিক ও দীর্ঘমেয়াদি কৌশল অনুসরণ করে পদক্ষেপ করবে। আমি সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাসী যে এই সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা সফল ভাবে বর্তমান পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে পারব।’’

