বেশি বেতনের চাকরি বলতে সবার আগে যেগুলো আসে তারমধ্যে রয়েছে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ারিং। একটা প্রজন্মের কাছে কেরিয়ার গোল বলতে ছিল ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হওয়া। কিন্তু এখন এই হোয়াইট কলার জবকে টেক্কা দিচ্ছে লন্ড্রি দোকান। কোনও লন্ড্রি ব্র্যান্ড নয়, একটি ছোট্ট লন্ড্রি দোকান চালিয়ে মাসে ২ লাখ টাকারও বেশি আয় করছে এক দম্পতি।
সম্প্রতি এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্ট করেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর নলিনী উনাগর। তাঁর বাড়ির পাশের একটি ড্রাই ক্লিনিং দোকানের মালিকের গল্প শেয়ার করেন তিনি। তাঁর দাবি, স্বামী-স্ত্রী মিলে দোকানটি চালান। তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন দুই বেতনভুক কর্মী। কথোপকথনে ওই দম্পতি জানান, মাসে তাঁদের আয় প্রায় ২ লাখ টাকারও বেশি—যা অনেক ক্ষেত্রে ১০ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারের বেতনের সমান।
হিসেবটা কী? পোস্ট অনুযায়ী, প্রতিদিন প্রায় ৩৫০টি পোশাক ইস্ত্রি করেন তাঁরা। প্রতি পিস ১০ টাকা হিসেবে আয় ৩,৫০০ টাকা। পাশাপাশি স্যুট, চোলি, প্রিমিয়াম শাড়ির মতো প্রায় ২০টি ভারী পোশাক ড্রাই ক্লিন করা হয়, প্রতি পিস ৩৫০ টাকা হিসেবে আরও ৭,০০০ টাকা। অর্থাৎ দৈনিক মোট আয় প্রায় ১০,৫০০ টাকা। মাসে তিন দিন বন্ধ ধরলে মোট আয় দাঁড়ায় প্রায় ২,৮৩,৫০০ টাকা।
Yesterday, I was talking with the dry cleaning shop owner near my house, where I regularly go. He and his wife both work together, and they have two helpers on salary. I was shocked when they said they earn around ₹2,00,000 per month, which is equal to a 10+ years experienced… pic.twitter.com/BjPddpb9Me
— Nalini Unagar (@NalinisKitchen) February 9, 2026
খরচের মধ্যে রয়েছে বিদ্যুৎ বিল প্রায় ৬,০০০ টাকা এবং দুই কর্মীর বেতন ৪০,০০০ টাকা। দোকানঘর নিজেদের হওয়ায় ভাড়া দিতে হয় না। সব মিলিয়ে সম্ভাব্য লাভ দাঁড়ায় প্রায় ২,৩৭,৫০০ টাকা।
এই পোস্ট ভাইরাল হতেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। কেউ লিখেছেন, “চাকরিই আর্থিক নিরাপত্তা দেয়—এই ধারণা ভেঙে গেল।” আবার কেউ কর সংক্রান্ত প্রশ্ন তুলেছেন। অনেকে বলেছেন, শিক্ষা নয়, আয় নির্ভর করে ‘ভ্যালু ক্যাপচার’-এর উপর। ছোট ব্যবসার শক্তি যে কতটা, সেই বাস্তব ছবিই যেন সামনে এনে দিল এই ঘটনা।
ম্যাচ হেরেও মন জয়, wankhede গ্যালারি পরিষ্কার নেপালি সমর্থকের

