গ্যাসের আকাল পরিস্থিতির মধ্যে কড়া পদক্ষেপ দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তার। এখন থেকে কোনও গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর তাদের গোডাউন বা স্টোরেজ পয়েন্ট থেকে সরাসরি গ্রাহকদের কাছে সিলিন্ডার বিক্রি করতে পারবেন না। রবিবার এক সরকারি বিবৃতিতে এই নিষেধাজ্ঞার কথা জানান দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘বুকিং করা প্রতিটি সিলিন্ডার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই গ্রাহকদের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।’
দূরমূল্যের বাজারে LPG (LPG Crisis) সিলিন্ডার নিয়ে রীতিমত কালোবাজারি শুরু হয়েছে। কেন্দ্রের তরফে পর্যাপ্ত জোগানের ব্যবস্থা দাবি করা হলেও, কালোবাজারি ও অবৈধভাবে সিলিন্ডার মজুত করার কারণে অনেককেই দ্বিগুণ, তিনগুণ দাম দিয়ে এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বড় সিদ্ধান্ত ঘোষণা। এবার আর গোডাউন থেকে সরাসরি এলপিজি সিলিন্ডার কেনা যাবে না। যদি কেউ গোডাউন থেকে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি করেন, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। দিল্লির অয়েল মার্কেটিং কোম্পানিগুলি সমস্ত ডিস্ট্রিবিউটরদের নির্দেশ দিয়েছে যে, এবার থেকে স্টোরেজ পয়েন্ট থেকে কোনও ধরনের এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি করা বেআইনি।
বাসিন্দাদেরও সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, কোনওভাবে গোডাউনে গিয়ে সিলিন্ডার সংগ্রহ করা যাবে না। এলপিজি (LPG Crisis) বুক করলে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সরাসরি বাড়িতেই সিলিন্ডার ডেলিভারি করা হবে। গৃহস্থ ও বাণিজ্যিক সংস্থাগুলির সুবিধার জন্য ছোট পাঁচ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। বৈধ আইডি ব্যবহার করে গ্যাস এজেন্সি থেকে এই এলপিজি সিলিন্ডার কেনা যাবে। এর জন্য কোনও অ্যাড্রেস প্রুফ লাগবে না। এতে পরিযায়ী শ্রমিকদের বিশেষ সুবিধা হবে।
উল্লেখ্য, অবৈধ মজুতদারি রুখতে দিল্লি প্রশাসন অত্যন্ত সক্রিয়। ইতিমিধ্যে ১৭টি জায়গায় অভিযান চালিয়েছে দিল্লি পুলিস এবং খাদ্য ও সরবরাহ দফতর ৭৬টি গ্যাস এজেন্সি পরিদর্শন করেছে। অভিযোগ জানানোর জন্য একটি বিশেষ কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।

