২২ ঘণ্টা হয়ে গিয়েছে। এখনও জারি উদ্ধারের কাজ। ধসের কবল থেকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে ১৭ জনকে। এখনও ৬ জনের আটকে থাকার আশঙ্কা রয়েছে। টানা বৃষ্টির কারণে বুধবার মহারাষ্ট্রের পুণের মোশি এলাকায় ধসে পড়ে জঞ্জালের পাহাড়। আর তার জেরেই পাশে থাকা একটি ভবন ভেঙে যায়। ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়ে যান বেশ কয়েকজন (maharashtra building collapse)। সেখান থেকেই বুধবার জীবিত অবস্থায় ১৭ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকাজ চলছে। ঘটনাস্থলে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ শুরু করেছে দমকল, পুলিশ এবং জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (NDRF)।
স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার বিকেলে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। আবর্জনার একটি বিশালাকার স্তূপ গিয়ে পড়ে পাশেই একটি সরকারি ভবনে। টন টন আবর্জনার নীচে চাপা পড়ে যায় ভবনটি। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড় মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (PCMC)-এর ওয়েস্ট-টু-এনার্জি (Waste-to-Energy) প্রকল্পে। এই প্রকল্পটি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (PPP) মডেলে পরিচালিত হয়। যে বাড়িটি ধসে পড়েছে, সেটি একটি বেসরকারি বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ সংস্থার প্রশাসনিক অফিস হিসেবে ব্যবহার করা হতো। দুর্ঘটনার সময়ে বহু কর্মী ওই বিল্ডিংয়ের ভিতরে কাজ করছিলেন (maharashtra building collapse)।
প্রবল বর্ষণে বিপর্যস্ত মহারাষ্ট্র। এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও উদ্ধারকাজ চলছে। বুধবার বিকেল থেকেই ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স (NDRF), পিসিএমসি (PCMC) দমকল বাহিনী, পুলিশ, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (NDRF) ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছে। বৃহস্পতিবার ভারতীয় সেনাবাহিনীর সাউদার্ন কমান্ডের অন্তর্গত ‘জয়েন্ট অ্যাকশন ফোর্স’-এর একটি দল উদ্ধারকাজে হাত লাগিয়েছে। দুর্ঘটনাস্থলে মেডিক্যাল ক্যাম্পও করা হয়েছে।
প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, ধসে পড়া কাঠামোর ওপর সরাসরি ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করলে ভেতরে আটকা পড়া ব্যক্তিদের জীবন ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। তাই উদ্ধারকারীরা সতর্কতার সঙ্গে কাজটি করছেন। ধসে পড়া ভবনটির একপাশে একটি রাস্তা তৈরির জন্য একটি ‘পোকলেইন’ (Poclain) এক্সকাভেটর ব্যবহার করা হয়েছে। উদ্ধারকর্মীরা সেই পথ দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেছেন এবং ধ্বংসস্তূপে আটকা পড়াদের কাছে নিরাপদে পৌঁছে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।
ব্রহ্মোস চুক্তি, ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে সামরিক চুক্তিতে ছক্কা ভারতের

