তাবিজ-কবচের বিশ্বাস, আর সেই বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে লাগাতার ধর্ষণের অভিযোগ প্রাক্তন এক সেনা কর্তার । মহারাষ্ট্রের নাসিকের ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেফতার করছে নাসিক সিটি পুলিশ। অভিযুক্তকে আদালতে তোলা হলে তাকে ২৪ মার্চ পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত।(Merchant Navy officer)

স্থানীয় সূত্রে খবর, ৬৭ বছর বয়সী অভিযুক্তের নাম অশোক কুমার খারাট এলাকায় ‘ক্যাপ্টেন’ বলেই পরিচিত।
পুলিশ সূত্রে খবর, ২০২২ সাল থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত অশোক কুমার ধারাবাহিকভাবে ওই মহিলাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করেন বলে অভিযোগ। যদিও তাদের প্রথম পরিচয় ২০১৯ সালে। বিয়ের জন্য পাত্র খোঁজার পরামর্শ নিতে গিয়েই অভিযুক্তের সঙ্গে যোগাযোগ হয় মহিলার।(Merchant Navy officer)
তদন্তে উঠে এসেছে, অলৌকিক ক্ষমতা ও কুসংস্কারের জাল বুনে ধীরে ধীরে মহিলার উপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেন অভিযুক্ত। মহিলাটিকে একটি তাবিজ বা লকেট দিয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়, সেটি যেন কোনোভাবেই না খোলা হয়। কিন্তু একটি পরীক্ষার সময় সেটি খুলে ফেলতেই ভেঙে যায় বিয়ের সম্বন্ধ। আর তারপর থেকেই শুরু হয় ভয় দেখানো। (Merchant Navy officer)অভিযোগ অনুযায়ী, এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে অভিযুক্ত অশোক কুমার তাঁকে বোঝাতে থাকেন, যে তাঁর জীবনের নিয়ন্ত্রণ ‘দেবীয় শক্তি’র হাতে। অভিযোগ, তারপরই একদিন অজ্ঞানকারী মিশ্রণ খাইয়ে ধর্ষণ করা হয়। পরে বারংবার হুমকির মুখে পড়তে হয় নির্যাতিতাকে। কথা না শুনলে বিয়ে হবে না, স্বামীর জীবন বিপন্ন হবে—এই জাতীয় ভয় দেখিয়েই চলতে থাকে নির্যাতন।
এমন কী বিয়ের পরেও ওই মহিলাকে রেহাই দেয়নি অভিযুক্ত। অভিযোগ, অলৌকিক শক্তির ভয় দেখিয়ে তাকে নিয়মিত শারীরিক সম্পর্ক বজায় রাখতে বাধ্য করা হত।(Merchant Navy officer)
ঘটনায় সরকারওয়াড়া পুলিশ থানায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে।
তদন্তে নেমে পুলিশের হাতে এসেছে আরও বিস্ফোরক তথ্য। মিরগাঁওয়ে অভিযুক্তের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি পিস্তল, কার্তুজ, গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং একটি পেন ড্রাইভে সংরক্ষিত ৫৮টি আপত্তিকর ভিডিও ক্লিপ।
ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় মহারাষ্ট্র সরকার বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করেছে।











