আজ নয়াদিল্লিতে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতি লি জে-মিউং-এর সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Modi K-Pop) ভারতে কে-পপ (K-pop) এবং কোরিয়ান নাটকের (K-dramas) ব্যাপক জনপ্রিয়তার কথা উল্লেখ করেন। তিনি ভারতে কোরিয়ান সংস্কৃতির ক্রমবর্ধমান প্রভাবের প্রশংসা করেন এবং দুই দেশের মধ্যে, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে, সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান আরও বৃদ্ধির কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী জানান, ভারতে কে-পপ এবং কে-ড্রামা অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, যা দুই দেশের সম্পর্কের এক নতুন দিগন্ত। এই যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে, ভারত এবং কোরিয়ার দুই দেশের মৈত্রী উৎসবের ঘোষণা করা হয়। যা ভারতের বিভিন্ন জায়গায় আয়োজিত হবে। সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান আরও গভীর করতে একটি নতুন ‘মুম্বই-কোরিয়া সেন্টার’ স্থাপনের পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, “আজ ভারতে কে-পপ এবং কে-ড্রামা অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। একইভাবে, কোরিয়াতেও ভারতীয় চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতির স্বীকৃতি বাড়ছে।” তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্রের কদর করার জন্য রাষ্ট্রপতি লি-রও প্রশংসা করেন এবং তিনি উল্লেখ করেন যে দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও গভীর করার প্রচেষ্টা চলছে।
যৌথ সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, “আমরা আনন্দিত যে রাষ্ট্রপতি লি-ও ভারতীয় চলচ্চিত্রের কদর করেন। এই সাংস্কৃতিক সংযোগকে আরও জোরদার করতে আমরা ২০২৮ সালে ভারত-দক্ষিণ কোরিয়া মৈত্রী উৎসবের আয়োজন করব।”
২০০০-এর দশকের শুরুতে কে-পপ এবং কোরিয়ান ড্রামা (Modi K-Pop) আজকের মতো এতটা জনপ্রিয় ছিল না। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে, বিশেষ করে ভারত ও বিশ্বে এদের জনপ্রিয়তা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিটিএস-এর মতো গ্রুপ, যাদের সদস্যরা হলেন জিন, সুগা, জে-হোপ, জিমিন, ভি, আরএম এবং জাংকুক, তারা বিশ্বজুড়ে ‘আর্মি’ নামে এক বিশাল গ্রুপ তৈরি করেছেন। ব্ল্যাকপিঙ্ক, সেভেনটিন এবং নিউজিনস-এর মতো অন্যান্য জনপ্রিয় দলগুলোও এই জনপ্রিয়তা বৃদ্ধিতে অবদান রেখেছে। বর্তমানে, কে-পপ এবং কে-ড্রামার প্রভাব ক্রমাগত বেড়েই চলেছে।

