জল্পনার অবসান। বিভাজন মিটিয়ে অন্ধ্রপ্রদেশের রাজধানী হোল অমরাবতী। দীর্ঘদিনের বিতর্কের পর অন্ধ্রের রাজধানীর তকমা পেল অমরাবতী। আর এই সুখবর ঘোষণা করেন, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু। শপথগ্রহণের আগের দিনই বড় রাজনৈতিক বার্তা দিলেন নাইডু। দীর্ঘদিনের বিতর্কে ইতি টানতে চেয়ে তেলুগু দেশম পার্টি (টিডিপি-TDP) প্রধান স্পষ্ট জানিয়ে দেন, “রাজ্যের ভবিষ্যৎ নিয়ে আর কোনও পরীক্ষা নিরীক্ষা নয়।”
বিজয়ওয়াড়ায় এনডিএ-র পরিষদীয় দলের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নাইডু বলেন, “অমরাবতীই থাকবে স্থায়ী রাজধানী। তিনটি রাজধানীর ধারণা আমরা মানি না।” একইসঙ্গে তিনি জানান, বিশাখাপত্তনমকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলা হবে, যাতে রাজ্যের আর্থিক উন্নয়ন আরও গতি পায়।
প্রায় ১০ বছর ধরে অন্ধ্রপ্রদেশ পুনর্গঠন আইনের অধীনে হায়দরাবাদ ছিল তেলঙ্গানা ও অন্ধ্র দুই রাজ্যেরই যৌথ রাজধানী। তবে সম্প্রতি সেই সময়সীমা শেষ হওয়ায় হায়দরাবাদ এখন কেবল তেলঙ্গানার রাজধানী। সেই সময় অন্ধ্রপ্রদেশ নিয়ে জল্পনা ছিল তুঙ্গে।
এর আগে জগনমোহন রেড্ডি সরকার বিশাখাপত্তনম, অমরাবতী এবং কুর্নুল, এই তিন রাজধানীর প্রস্তাব দিয়েছিল। সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে আইনি লড়াইও গড়ায় আদালত পর্যন্ত।
২৪-এর বিধানসভা নির্বাচনে জগন সরকারের পতন ঘটিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে অন্ধ্রপ্রদেশে TDP ক্ষমতায় ফেরে। তখন পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটে। TDP পার্টির প্রধান এন চন্দ্রবাবু নাইডু শপথের আগেই জানিয়ে দেন, ‘তিন তিনটি রাজধানী রেখে রাজ্যের ভবিষ্যতের সঙ্গে খেলা হবে না। অমরাবতী হবে রাজধানী। বিশাখাপত্তনমকে অন্ধ্রপ্রদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে বিবেচনা করা হবে। তারপরেই এই সিদ্ধান্ত।

