বিহারের নালন্দায় শীতলা মাতা মন্দিরে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে হুড়োহুড়ি। যার জেরে মৃত্যু হলো অন্তত আট জন মহিলার। আহত বেশ কয়েকজন। মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ সকালে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তাঁদের চিকিৎসা চলছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ঘটনাস্থলে সেই সময় ব্যাপক ভিড় ছিল। প্রয়োজনে থেকে বেশি পুন্যর্থী ভিড় জমিয়েছিলেন। সংবাদ সংস্থা ANI জানিয়েছে, মন্দিরে ঢোকার মতো পর্যাপ্ত জায়গা পর্যন্ত ছিল না। তীব্র গরম এবং খালি পেটে থাকার কারণে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েন মন্দির চত্বরে। কারও ব্লাড প্রেসার কমে যায়, আবার কেউ অজ্ঞান হয়ে পড়ে যান। স্থানীয় পুলিশ থাকলেও পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে হুড়োহুড়ি শুরু হয় বলে এমনটাই অনুমান। এছাড়া অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছতে খানিক দেরি হওয়ায় ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
#WATCH | Nalanda, Bihar: A devotee breaks down as she recounts the stampede at Maa Sheetla Mandir.
— ANI (@ANI) March 31, 2026
"There was a massive crowd. Four of us had come from Patna. We got separated from each other. People were trampled on…" pic.twitter.com/F1WlgcOEW2
রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু নালন্দায় সফরে থাকাকালীন সময়েই ঘটে যায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। এদিন ঐতিহাসিক নালন্দা ধ্বংসাবশেষ পরিদর্শনের কর্মসূচি ছিল রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর। এই ঘটনার পর সক্রিয় বিহার সরকার। মুখ্যসচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয় ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের করার এবং আহতদের প্রয়োজনীয় সমস্ত রকম চিকিৎসা নিশ্চিত করার। দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার কাজও চলছে।
উপমুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি।
তবে সরকার কাজ করা শুরু করলেও তাদের পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। একটা মন্দিরে ধারণ ক্ষমতার থেকে বেশি পুন্যার্থী কী করে প্রবেশ করলেন? কেন সেখানে উদ্ধারকাজ শুরু করতে দেরি হলো? ক্রাউড ম্যানেজমেন্ট কেন ছিল না?
তৈরি হলো ইতিহাস, BMC-তে প্রথম মহিলা কমিশনার অশ্বিনী ভিড়ে, কে জানেন এই মহিলা?

