বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর থেকেই Tarique Rahman-কে ঘিরে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ছে। মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। তিনি বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর শুভেচ্ছাবার্তা ও আমন্ত্রণপত্র তুলে দেন। চিঠিতে মোদী বাংলাদেশের সদ্যসমাপ্ত নির্বাচনে বিএনপি-র জয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়ে তারেক রহমানকে সপরিবারে ভারতে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন (Narendra Modi on Tarique Rahman)।
চিঠিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের পথে এগোবে এবং দুই দেশের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও গভীর হবে। পাশাপাশি বাণিজ্য, যোগাযোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রেও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করার বার্তা দিয়েছেন তিনি। মোদী লিখেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যাশা রয়েছে ভারতের।
🇮🇳 Prime Minister, HE @narendramodi affirms readiness of #India to engage with #Bangladesh, deeper.#भारत@bdmofa @bdbnp78 pic.twitter.com/54HovI7jcN
— Bangladesh High Commission, New Delhi (@bdhc_delhi) February 17, 2026
শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতি এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে কিছুটা টানাপড়েন তৈরি হয়েছিল। সংখ্যালঘু ইস্যু ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে সম্পর্কের অবনতি লক্ষ্য করা যায়। তবে বিএনপি-র জয়ের পর নতুন করে সম্পর্ক পুনর্গঠনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে কূটনৈতিক মহলের মত।
লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা জানিয়েছেন, গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পথে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে ভারত সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত। অন্যদিকে তারেক রহমানও জানিয়েছেন, বাংলাদেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রেখে প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চান তিনি।
সব মিলিয়ে, নতুন সরকারের সূচনার সঙ্গে সঙ্গেই নয়াদিল্লি ও ঢাকার মধ্যে সম্পর্ক নতুন দিশা পেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।
শপথ নিলেন Tarique Rahman, মন্ত্রিসভা গঠনের প্রস্তুতি শুরু, ঢাকায় বিদেশি অতিথিদের ভিড়

