পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর হয়ে কাজ করার অভিযোগ উঠল উত্তরপ্রদেশের এক মহিলার বিরুদ্ধে। পাকিস্তানি গুপ্তচর সন্দেহে মেরঠ থেকে সাবা ফারহাত নামে ওই মহিলাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মহিলার বিরূদ্ধে জাল নথি তৈরি এবং পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে রয়েছে। সেই ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়েছে। মহিলার কন্যা আইমান ফারহাতের বিরুদ্ধেও এফআইআর রুজু হয়েছে। Pakistani Spy
পুলিশ সূত্রে খবর, স্থানীয় এক মহিলা পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন। অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্ত সাবা ফরহাত ১৯৮৮ সালে পাকিস্তান যান এবং সেখানে একজন পাকিস্তানি নাগরিকের সঙ্গে বিয়ে হয় তাঁর। কন্যার জন্মের পর কন্যাকে পাকিস্তানি পাসপোর্টে ভারতে নিয়ে এসেন। মেরঠের জালিকোঠি এলাকায় বসবাস শুরু করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, সাবা ও তাঁর কন্যা কখনোই ভারতীয় নাগরিকত্ব পাননি।
আভিযোগকারির আরও দাবি, সাবা তাঁর মেয়ের জন্য ভারতীয় পাসপোর্ট পেতে জাল নথি তৈরি করেছেন, পাশাপাশি নিজের নাম ব্যবহার করে দু’টি ভিন্ন পরিচয়পত্রও বানিয়েছেন। অভিযোগে উঠে এসেছে যে সাবা ও তাঁর কন্যা দু’জনেই পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই’র হয়ে কাজ করছেন।
অভিযোগ পেয়েই পুলিশ তদন্ত নেমে কিছু জাল নথিপত্র উদ্ধার করে। তদন্তের ভিত্তিতে সাবাকে গ্রেফতার করেছে । পুলিশ জানায়, অভিযোগের সব দিক এখনও অনুসন্ধানের মধ্যে রয়েছে এবং প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া প্রমাণের সত্যতা যাচাই চলছে। যদিও এখনও পর্যন্ত দুজনের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের গুপ্তচরবৃত্তি করার কোনও উপযুক্ত প্রমাণ মেলেনি। তবে সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেই জানা গিয়েছে।Pakistani Spy
তবে গোটা দেশে যখন বেআইনি অনুপ্রবেশ নিয়ে এত কড়াকড়ি চলছে, এমন আবহে কি করে ওই মা-মেয়ে ভারতীয় নাগরিক না হয়েও দীর্ঘদিন এই দেশে রয়েছেন তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।











