Site icon Hindustan News Point

Narendra Modi: রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী, কড়া বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

Narendra Modi

রাষ্ট্রপতির দ্রৌপদী মুর্মুর বাংলায় সফর ঘিরে তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। উত্তরবঙ্গে রাষ্ট্রপতির নির্ধারিত অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর অনুপস্থিতি নিয়ে তৈরি হয়েছে চাপানউতোর। সরব হয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও। তিনি বলেছেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী ম্যাডাম এলেন না, আমি দুঃখ পেয়েছি। হয়তো কোনও কিছুতে রাগ হয়েছে’।

এবার এক্স পোস্টে সরব হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। রাষ্ট্রপতিকে অপমানের অভিযোগ তুলে পোস্ট প্রধানমন্ত্রীর। তিনি বলেছেন, ‘সব সীমা পার করে গিয়েছে তৃণমূল সরকার। এটা লজ্জাজনক ও নজিরবিহীন। গণতন্ত্রের ওপর যাঁদের আস্থা রয়েছে, যাঁরা আদিবাসীদের উন্নয়নের পক্ষে, তাঁরা ব্যথিত। রাষ্ট্রপতিকে অপমান করা হয়েছে, এর জন্য দায়ী প্রশাসন। সাঁওতাল সংস্কৃতির মতো বিষয়কে অত্যন্ত হালকাভাবে দেখে রাজ্য প্রশাসন। রাষ্ট্রপতির পদ রাজনীতির ঊর্ধ্বে, এর গরিমা রক্ষা করা উচিত। আশা করি, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হবে’, ক্ষোভপ্রকাশ করে পোস্ট প্রধানমন্ত্রীর।

অন্যদিকে, এ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘বিজেপি কোথায় নিয়ে গিয়েছে সংবিধানকে! আমার বলতে লজ্জা লাগছে। মাননীয় রাষ্ট্রপতি তাঁকে আমরা সম্মান করি। তাঁকে দিয়েও রাজনীতি বেচতে পাঠানো হয়েছে। বিজেপির অ্যাজেন্ডা বেচতে পাঠানো হয়েছে। ক্ষমা করবেন ম্যাডাম। আপনি বিজেপির পলিসির ফাঁদে পড়ে গেছেন। কোনওদিন ইনি আসছেন, কোনওদিন এ, কোনওদিন বি, কোনওদিন সি, কোনওদিন ডি, কোনওদিন ই, আমাদের কি কাজকর্ম নেই না কি? সারাক্ষণ আপনাদের পিছনে পিছনে লেজুর হয়ে ঘুরে বেড়াতে হবে? নাকি লাটাই নিয়ে ঘুরতে হবে?’

অনুষ্ঠানের জায়গা বদল নিয়েও রাজ্যের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি বলেন, ‘যেখানে অনুষ্ঠান হলো, সেখানের অবস্থা ভালো লাগেনি। তাই ভাবলাম, নিজেই গিয়ে দেখি। এখান থেকে যেখানে অনুষ্ঠান, তা খুব দূরে। হয়তো ওরা চেয়েছিলেন, কেউ না আসে। চেয়েছিলেন হয়তো, রাষ্ট্রপতি এমনই ঘুরে চলে যাবেন। ওরা বলেছিলেন, খুব সংকীর্ণ জায়গা, তাই দেখতে এলাম। এখানে তো এত বড় জায়গা, ৫ লক্ষ মানুষ আসতে পারতেন। জানি না, কেন আমাকে ওখানে নিয়ে গেল।’ এদিন মুখ্যমন্ত্রী কিংবা কোনও মন্ত্রী না যাওয়াতেও অসন্তোষও প্রকাশ রাষ্ট্রপতির।

রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান রাজ্যপালকে ঘিরে বিতর্ক পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন নয়। সিভি আনন্দ বোসের ইস্তফা এবং পশ্চিমবঙ্গের নতুন রাজ্যপাল হিসাবে আরএন রবির নিয়োগ সেই পুরনো বিতর্ক নতুন করে উস্কে দিয়েছে। কিন্তু দেশের সাংবিধানিক প্রধান রাষ্ট্রপতিকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রীর লড়াই সাম্প্রতিক অতীতে নজিরবিহীন। আগামী শনিবারই ব্রিগেডে সভা করতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেও তিনি এই প্রসঙ্গ তুলবেন বলে নিশ্চিত অনেকেই।


Exit mobile version