Site icon Hindustan News Point

Crime News: পুনের মর্মান্তিক পরিণতি,৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণ করে খুনের পর পুঁতে রাখল পাষণ্ড, উত্তাল মহারাষ্ট্র

Crime News

মহারাষ্ট্রের পুনেতে ঘটে গেল এক নারকীয় ঘটনা, যা সভ্য সমাজকে স্তব্ধ করে দেয়। খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে চার বছরের এক শিশুকে অপহরণ ও ধর্ষণের পর পাথর দিয়ে থেঁতলে খুনের অভিযোগ উঠল ৬৫ বছরের এক বৃদ্ধে বিরুদ্ধে। এখানেই শেষ নয়, অপরাধ ঢাকতে অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশুটির দেহ বাড়ির পাশে গোয়ালঘরে পুঁতে রাখে। এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনাটি ঘটেছে পুনের নাসরাপুর গ্রামে। ছুটিতে সে দিদিমার বাড়িতে এসেছিল। ঘটনার দিন দুপুরে শিশুটিকে খাবারের লোভ দেখিয়ে বাড়ির কাছের গোয়ালঘরে নিয়ে যায়। গত মঙ্গলবার থেকে শিশুটির নিখোঁজ ছিল। খবর ছড়িয়ে পড়তেই খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। দীর্ঘক্ষণ হদিশ না মেলায় পরিবারের তরফে থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। তল্লাশির পর বুধবার সকালে অভিযুক্তের বাড়ির পাশের একটি গোবরের স্তূপের ভেতর থেকে শিশুটির ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। (Crime News)

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র অনুসারে, (Crime News)স্থানীয় সিসিটিভি ফুটেজে অভিযুক্তকে শিশুকে সঙ্গে নিয়ে যেতে দেখা যায়, যা অভিযুক্তকে দ্রুত তাকে শনাক্ত করে গ্রেফাতারে সাহায্য করে। পুনে গ্রামীণ পুলিশের সুপারিনটেনডেন্ট সন্দীপ সিং গিল বলেছেন, “১৫ দিনের মধ্যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হবে এবং মামলাটি ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে চালানো হবে। পুলিশ এই ঘটনায় অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।”

এই নক্করজনক ঘটনার প্রেক্ষিতে স্থানীয় পুলিশ আধিকারিক এসিপি অশ্বিনী রাখ জানিয়েছেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ও মর্মান্তিক। অভিযুক্ত সন্দীপ থোরাতকে গ্রেফতার করেছি। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, শিশুটিকে অপহরণের পর ধর্ষণ করা হয় এবং পরে শ্বাসরোধ করে ও ভারী পাথর দিয়ে মাথা থেঁতলে খুন করা হয়েছে। দেহটি লুকানোর জন্যই সে গোবরের গাদার নিচে চাপা দিয়ে রেখেছিল। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (BNS) প্রাসঙ্গিক ধারা এবং পকসো (POCSO) আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। আমরা দ্রুত চার্জশিট পেশ করার প্রস্তুতি নিচ্ছি যাতে অপরাধী কঠোরতম শাস্তি পায়।” (Crime News)

ঘটনার খবর জানাজানি হতেই স্থানীয় জনতা বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। অভিযুক্তের বাড়িতে হামলার চেষ্টা করা হলে, পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় বিশাল পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এলাকাবাসীর দাবি, এমন পৈশাচিকের সাজা যেন একমাত্র মৃত্যুদণ্ড। পুনের এই ঘটনা আবারও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিল। ঘটনার পেছনে আর কারোর মদত ছিল কিনা তার তদন্ত করেছে পুলিশ। আপাতত অভিযুক্ত পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।

আরও পড়ুন : Andhra Guy Tragic Death: মিলছিল না চাকরি, বাড়ছিল দেনা, আমেরিকায় আত্মঘাতী ভারতীয় যুবক


Exit mobile version