ভয়াবহ আগুন লাগল রাজধানী এক্সপ্রেসে (Rajdhani Express Fire)। ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের রতলাম জেলায়। রবিবার ভোরে তিরুবনন্তপুরম-হজরত নিজামুদ্দিন রাজধানী এক্সপ্রেসে আগুন লাগে তবে বড় দুর্ঘটনা এড়ানো গিয়েছে দ্রুত পদক্ষেপের ফলে। রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনায় কোনও যাত্রী বা রেলকর্মীর হতাহতের খবর নেই। আগুন লাগার সময় কোচে মোট ৬৮ জন যাত্রী ছিলেন।
রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ট্রেন নম্বর ১২৪৩১ তিরুভানন্তপুরম-হজরত নিজামুদ্দিন রাজধানী এক্সপ্রেসের বি-১ কোচ এবং সংলগ্ন এসএলআর (সিটিং কাম লাগেজ রেক) কোচে ভোর প্রায় ৫টা ১৫ মিনিট নাগাদ আগুন লাগে। (Rajdhani Express Fire) ঘটনাটি ঘটে পশ্চিম মধ্য রেলের কোটা ডিভিশনের অধীন লুনি রিচা এবং বিক্রমগড় আলোট স্টেশনের মাঝে।
প্রথমে ট্রেনের গার্ড ধোঁয়া ও আগুনের শিখা দেখতে পান। সঙ্গে সঙ্গে তিনি লোকো পাইলটকে সতর্ক করেন। (Rajdhani Express Fire) এরপরই ট্রেনটি জরুরি ভিত্তিতে থামানো হয় এবং যাত্রীদের দ্রুত নামিয়ে আনার কাজ শুরু হয়। রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স (RPF), অনবোর্ড রেলকর্মী এবং অন্যান্য আধিকারিকরা মিলিতভাবে উদ্ধারকাজ চালান। প্রায় ১৫ মিনিটের মধ্যেই কোচ পুরোপুরি খালি করে ফেলা হয়।
(Rajdhani Express Fire) পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সঙ্গে সঙ্গে ওভারহেড ইলেকট্রিক (OHE) বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। আগুন যাতে অন্য কোচে ছড়িয়ে না পড়ে, সেই কারণে ক্ষতিগ্রস্ত বি-১ কোচটিকে ট্রেন থেকে আলাদা করে দেওয়া হয়। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে পাশের কয়েকটি কোচ থেকেও যাত্রীদের সরিয়ে নেওয়া হয়।
পশ্চিম মধ্য রেলের কোটা ডিভিশন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “আগুন লাগা কোচের সমস্ত যাত্রীকে নিরাপদে নামানো হয়েছে। কোনও যাত্রী বা রেলকর্মী আহত হননি। দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত কোচ ট্রেন থেকে আলাদা করা হয়েছে।”
ঘটনার খবর পেয়ে কোটা রেল ডিভিশনের উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার অনিল কালরা-সহ রেলের শীর্ষ আধিকারিক, পুলিশ এবং দমকল বাহিনীর কর্মীরাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তাঁরা উদ্ধার ও পুনরুদ্ধার কাজ তদারকি করেন। কোটা ডিভিশনের সিনিয়র ডিভিশনাল কমার্শিয়াল ম্যানেজার সৌরভ জৈন জানিয়েছেন, যাত্রীদের সুবিধার জন্য অতিরিক্ত কোচের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর ট্রেনের বাকি অংশ গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দিতে পারে।
(Rajdhani Express Fire) এই অগ্নিকাণ্ডের জেরে দিল্লি-মুম্বই রুটে ট্রেন চলাচলও প্রায় দু’ঘণ্টা ব্যাহত হয়। নিরাপত্তা পরীক্ষা ও উদ্ধারকাজের কারণে একাধিক ট্রেন আটকে পড়ে। যদিও আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। রেল কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত কোচ এবং সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি খতিয়ে দেখে আগুনের উৎস খোঁজা হচ্ছে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, গত দু’সপ্তাহে এটি দ্বিতীয় বড় ট্রেন অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। এর আগে ১৫ মে হায়দরাবাদ-জয়পুর স্পেশাল এক্সপ্রেসের দুটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কোচে আগুন লাগে নামপল্লি স্টেশনে। সেই ঘটনাতেও কোনও হতাহতের খবর মেলেনি।
পশ্চিমবঙ্গে স্বাস্থ্যখাতে টানাপোড়েন: নিপা নজরদারি, ASHA আন্দোলন, হেপাটাইটিস বি-তে সাফল্য: Rajdhani Express Fire: চলন্ত রাজধানী এক্সপ্রেসে ভয়াবহ আগুন, প্রশ্নের মুখে নিরাপত্তা
