সামনেই রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের কড়া নাড়ছে। তার আগেই হতে চলেছে রাজ্যসভা নির্বাচন। বুধবার ওই আসনগুলির জন্য বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ভোটের নির্ঘণ্ট জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (Rajya Sabha Election 2026)। দেশজুড়ে রাজ্যসভার ৩৭ আসনে ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করেছে কমিশন। ভোটগ্রহণ হবে ১৬ মার্চ। ওই ৩৭ আসনের মধ্যে বাংলার ৫ আসনের ভোট হবে।
বুধবার নির্বাচন কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, ১০ রাজ্যের রাজ্যসভার ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি হবে ২৬ ফেব্রুয়ারি। নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৫ মার্চ। মনোনয়নপত্রগুলির স্ক্রুটিনি হবে ৬ মার্চ। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ৯ মার্চ। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ হবে। ওইদিনই বিকেল ৫ টায় ভোটগণনা হবে।
রাজ্যসভার সাংসদ পদে মেয়াদ শেষ হচ্ছে তৃণমূলের সাকেত গোখলে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সুব্রত বক্সির। মৌসম বেনজির নুর তৃণমূল ছাড়ার পর চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেন। সেই থেকে তাঁর আসনও খালি রয়েছে। এছাড়া বামফ্রন্টের বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের আসন খালি হচ্ছে। রাজ্যসভার ভোটে বিধায়করা শুধু ভোট দেন। বাংলার বিধানসভায় রাজনৈতিক দলগুলির বর্তমান আসনসংখ্যা অনুসারে রাজ্যসভার ৪ আসনে তৃণমূল প্রার্থীদের জয় নিশ্চিত।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে চিঠি, কী লিখলেন নরেন্দ্র মোদী?
রাজ্যসভা নির্বাচনের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের হলেও, এ ক্ষেত্রে ভোটপর্ব অনুষ্ঠিত হয় সংশ্লিষ্ট রাজ্যের বিধানসভায়। সেক্ষেত্রে রাজ্যসভা নির্বাচনের জন্য বড় দায়িত্ব পালন করতে হয় সংশ্লিষ্ট রাজ্যের বিধানসভা কর্তৃপক্ষ বা সচিবালয়কে। এই কারণে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই বিধানসভায় রাজ্যসভা নির্বাচন কী ভাবে হবে তা নিয়ে আলোচনা শুরু করেছেন আধিকারিকেরা।
পশ্চিমবঙ্গের ৫ আসনে যদি ৫ প্রার্থী মনোনয়ন জমা দেন, সে ক্ষেত্রে ভোট হবে না। ৬ মার্চ স্ক্রুটিনির পরেই জয়ী প্রার্থীদের শংসাপত্র দেবেন রিটার্নিং অফিসার তথা বিধানসভার সচিব। কিন্তু ৫-এর বেশি মনোনয়ন জমা পড়লে ১৬ মার্চ ভোট হবে। সে ক্ষেত্রে ওইদিন গণনার পর প্রার্থীদের শংসাপত্র দেওয়া হবে। দুই পরিস্থিতির জন্যই তৈরি থাকতে হবে বিধানসভার সচিবালয়কে। প্রার্থীকে জয়ী হতে গেলে ৫০ বিধায়কের সমর্থন প্রয়োজন। সেই ক্ষেত্রে তৃণমূলের ৪ এবং বিজেপির ১ প্রার্থীর জয় নিশ্চিত বলে মনে করা হচ্ছে।

