Site icon Hindustan News Point

কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন মমতা? মুখ খুলল হাত শিবির

Mamata Banerjee

কংগ্রেসের সঙ্গে মিশে যাচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস (Mamata Banerjee), এই দাবি করে একাধিক সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। যদিও বৃহস্পতিবার কংগ্রেস এই জল্পনা-কল্পনা উড়িয়ে দিয়ে ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে। সাংবাদিক বৈঠকে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কেসি ভেনুগোপাল বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাম্প্রতিক বৈঠকে শুধুমাত্র জাতীয় ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে। দুই দলের মিশে যাওয়া নিয়ে কোনও কথা হয়নি।” তিনি আরও বলেন, “এগুলো ভিত্তিহীন গুজব। টিএমসি ও কংগ্রেস নেতাদের মধ্যে বৈঠকটি ছিল মূলত জাতীয় ইস্যুগুলোকে আরও কার্যকরভাবে তুলে ধরার বিষয়ে আলোচনার জন্য।”

‘ইন্ডিয়া’ (INDIA) ব্লকের বৈঠকের পর জল্পনা বৃদ্ধি

সোমবার নয়াদিল্লিতে ‘ইন্ডিয়া’ ব্লকের বৈঠকে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অংশগ্রহণের পর কংগ্রেসের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের মিশে যাওয়ার জল্পনা জোরদার হয়। এরপর তাঁরা উভয়েই কংগ্রেসের সংসদীয় দলের চেয়ারপার্সন সনিয়া গান্ধী এবং বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করেন।

অতীতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ‘ইন্ডিয়া’ ব্লকের বৈঠকে নিয়মিত অংশ নেননি। প্রায়শই তিনি দলের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য সিনিয়র নেতাদের পাঠাতেন। ২০২৩ সালের জুন মাসে পাটনায় বিরোধী জোটের বৈঠক এবং পরবর্তীতে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত বেশ কয়েকটি বৈঠকেও তিনি অনুপস্থিত ছিলেন।

পশ্চিমবঙ্গে ২৯৪ সদস্যের বিধানসভায় মাত্র ৮০টি আসন পেয়ে ক্ষমতা হারানোর ঠিক এক মাস পরেই এই জল্পনা তৈরি হয়েছে। একই সময়ে দলের বিধানসভা ও সংসদীয় শাখার মধ্যে বিভাজনের খবরও সামনে এসেছে। তবে তৃণমূল আনুষ্ঠানিকভাবে কংগ্রেসে মিশে যাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, কংগ্রেসের সঙ্গে কাজ করা দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে সেই সহযোগিতা জোট নাকি মিশে যাওয়ার রূপ নেবে, তা দেখার বিষয়।

বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ও কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূলের মিশে যাওয়ার খবর উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমাদের বিধানসভা দল নিশ্চিতভাবেই কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছে না। সংসদের সাংসদদের মধ্যেও—যাঁদের সংখ্যা দুই-তৃতীয়াংশের বেশি—তাঁরাও কংগ্রেসের সঙ্গে মিশে যাচ্ছেন না। তাহলে, কে কার সঙ্গে মিশছে?”


Exit mobile version