দিল্লির যন্তর মন্তরে শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে চলা আন্দোলন নতুন মোড় নিল। শনিবার সকালে সোনম ওয়াংচুককে দিল্লি পুলিশ জোর তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে স্টুডেন্টস ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া (SFI)-এর সর্বভারতীয় সভাপতি আদর্শ এম সজি এবং সর্বভারতীয় যুগ্ম সম্পাদক ঐশী ঘোষ অনির্দিষ্টকালের জন্য আমরণ অনশনে বসার ঘোষণা করেন। (Jantar Mantar Protest)
যন্তর মন্তরে SFI-এর ‘ক্রান্তি কর্নার’ থেকে সংগঠনের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য অভিযোগ করেন, সরকার যদি সত্যিই আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রী ও সোনম ওয়াংচুকের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়, তাহলে তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসছে না কেন? তাঁর দাবি, শিক্ষাক্ষেত্রে একের পর এক বিতর্ক—NEET, CBSE এবং জাতীয় পরীক্ষা সংস্থা (NTA)-কে ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি—প্রমাণ করে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান সম্পূর্ণ ব্যর্থ। সেই কারণেই তাঁর পদত্যাগের দাবি আরও জোরালো হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন সৃজন ভট্টাচাৰ্য।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, আন্দোলন দমিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে পুলিশি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, আন্দোলনের পরিবেশ নষ্ট করতে বিভিন্নভাবে উসকানি দেওয়ারও চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে এসবের মধ্যেও গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার বার্তা দেন এসএফআই নেতৃত্ব। (Jantar Mantar Protest)
আন্দোলনকারীদের মূল দাবি তিনটি—কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, জাতীয় পরীক্ষা সংস্থা (NTA) বাতিল এবং আসন্ন সংসদ অধিবেশনে নিট প্রশ্নফাঁস-সহ দেশের শিক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন দুর্বলতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা। (Jantar Mantar Protest)
আরও পড়ুন :- ‘হাসপাতালে চিকিৎসা হচ্ছে না’, চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ সরব ওয়াংচুক পত্নী

