তামিলনাড়ুর তিরুপুর জেলায় অন্তঃসত্ত্বার মর্মান্তিক মৃত্যু। পরিবারের চাপে বাড়িতেই সন্তান প্রসব। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের জেরে মৃত্যু হলো বছর ৩২-এর শশিকলার (Tamilnadu)।
সূত্রের খবর, প্রথম সন্তান সি-সেকশনে (C-section) হওয়ায়, স্বামী ও শাশুড়ির ইচ্ছে ছিল শশিকলার দ্বিতীয় সন্তান তাঁদের বাড়িতেই জন্ম নেবে। সেই মতো শশিকলার প্রসব যন্ত্রণা উঠলেও তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাননি তাঁরা। উল্টে বাড়িতে রেখেই ইউটিউব টিউটোরিয়াল দেখে সন্তান প্রসবের চেষ্টা করানো হয়। শেষে সন্তান জন্ম নিলেও অতিরিক্ত রক্তক্ষণের জন্য বাঁচানো যায়নি শশিকলাকে (Tamilnadu)।
শশিকলার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতেই প্রথমে তাঁকে পেরুনদুরাইয়ের একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তারপর সেখান থেকে কোয়েম্বাটোরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। তবে নবজাতক শিশুটি সুস্থ রয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন (Tamilnadu)।
পুলিশের তরফে বলা হয়েছে, “স্বাভাবিক পদ্ধতিতে সন্তান জন্ম দিতে চেয়েছিল শশিকলার পরিবার, তাই তারা নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণের জন্য সরকারি কোনও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাননি। আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি”
হলদিয়ায় ন্যাপথা পাইপলাইনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, আহত ১০-র বেশি, ব্যাহত ট্রেন চলাচল
স্থানীয় ব্লক মেডিকেল অফিসারের অভিযোগের ভিত্তিতে, উথুকুলি পুলিশ শশিকলার স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে। স্বাস্থ্য দফতরও ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
গর্ভধারণ ও প্রসবের মতো জটিল প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে সব সময় অভিজ্ঞ চিকিৎসক ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বাস্থ্যসেবার সাহায্য নেওয়া কতটা জরুরি, তা এই মর্মান্তিক ঘটনাটি আবারও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে।

