Site icon Hindustan News Point

Anxiety and Panic Attack: মনের অগোছালো জট খোলার বিজ্ঞান ও মুক্তির পথ

Anxiety and Panic Attack

ছবিটি প্রতীকী (সৌজন্যে AI)


ব্রততী সিনহা রায়
Consultant Psychologist and Psychotherapist

আজকের দ্রুতগামী, প্রতিযোগিতামূলক জীবনে স্ট্রেস যেন আমাদের নিত্যসঙ্গী। পরীক্ষার আগের রাত, অফিসের গুরুত্বপূর্ণ প্রেজেন্টেশন, কিংবা সম্পর্কের টানাপোড়েন-প্রতিটি ক্ষেত্রেই আমরা অনুভব করি এক অদ্ভুত অস্থিরতা। বুকের ভেতর ধকধকানি, মাথার মধ্যে নেতিবাচক চিন্তার ঢেউ-এসব যেন আজকাল খুবই পরিচিত অনুভূতি। কিন্তু প্রশ্ন হলো এই অনুভূতিগুলো কি শুধুই “মনের দুর্বলতা”? নাকি এর পেছনে রয়েছে সুস্পষ্ট বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা?

Anxiety and Panic Attack: অ্যাংজাইটি কি কেবল মনের ভয়?

বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা-
Anxiety আসলে ভবিষ্যৎ নিয়ে একধরনের অজানা আশঙ্কা। আমাদের মস্তিষ্কে ‘অ্যামিগডালা’ নামে একটি অংশ রয়েছে, যা পাহারাদারের মতো কাজ করে। কোনো বিপদের আভাস পেলেই এটি শরীরকে সতর্ক করে তোলে। তবে সমস্যা হয় তখনই, যখন এই পাহারাদার ভুল সংকেত নিতে শুরু করে। সামান্য দুশ্চিন্তাকেও এটি বড় বিপদ হিসেবে ধরে নেয়।

এর ফলে শরীরে অ্যাড্রেনালিন ও কর্টিসল হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়, হৃদস্পন্দন দ্রুত হয়, এবং পরীর “Fight or Fight” মোডে চলে যায়। মস্তিষ্ক তখন হাই-বিটা 12hz-30hz+ তরঙ্গে আটকে যায়, ফলে আমরা সবসময় সতর্ক ও অস্থির অনুভব করি।

যখন শরীর কথা বলে: লক্ষণগুলো কী?


অ্যাংজাইটি শুধু মনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; এটি শরীরের বিভিন্ন প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকাশ পায়। শারীরিকভয়ব দেখা যেতে পারে বুক ধড়ফড় করা, শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া, মাথা ভারী লাগা, অনিদ্রা বা হজমের সমস্যা। অন্যদিকে মানসিকভাবে দেখা যায় অস্থিরতা, মনোযোগের ঘাটতি, এবং নেতিবাচক চিন্তার অধিক্য। দীর্ঘদিন এই অবস্থা চলতে থাকলে শরীর ও মন-দুটোই ক্লান্ত হয়ে পড়ে। এবং type-2 diabetes এর ঝুঁকিও বেড়ে যায়। বিশেষ করে overthinking এই আগুনের জ্বালানি হিসেবে কাজ করে। (Anxiety and Panic Attack)

একটু ভেবে দেখুন… (একটি বাস্তব চিত্র)
ধরুন, আগামী সপ্তাহে আপনার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রেজেন্টেশন আছে। আজ থেকেই আপনার মনে হচ্ছে-
“যদি আমি ঠিকমতো বলতে না পারি?”
“যদি সবাই আমাকে বিচার করে?”
বাস্তবে কিছুই ঘটেনি, তবুও এই অজানা আশঙ্কা আপনার মনের শান্তি কেড়ে নিচ্ছে। এটাই অ্যাংজাইটি।
এটি অনেকটা ফোনোর battery ১০% এ নেমে আসার মতো; কোনও বিপদ ঘটেনি, কিন্তু বন্ধ হয়ে যাওয়ার ভয়ে আপনি সারাক্ষণ কুকরে আছেন।

Panic Attack: হঠাৎ ঝড়ের মতো অনুভূতি


প্যানিক অ্যাটাক হলো শরীরের একটি “False Alarm System”-যেখানে কোনও বাস্তব বিপদ ছাড়াই মস্তিষ্ক হঠাৎ বিপদের সংকেত দেয়। এর ফলে শরীরে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়— বুক ধড়ফড় করা, শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা, এমনকি মনে হতে পারে আমি হয়তো এখনই মারা যাব’।
এই অভিজ্ঞতা যদিও সাময়িক, কিন্তু সেই মুহূর্তে তা অত্যন্ত তীব্র ও ভয়ঙ্কর মনে হয়।

উদাহরণ- মনে করুন, আপনি দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে মন দিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়েছেন। সব পড়া আপনার নখদর্পণে। কিজ পরীক্ষার দিন সকালে হলে ঢোকার পর আপনার মনে হতে শুরু করলো-“যদি আমি সব ভুলে যাই?”… “যদি প্রশ্ন খুব কঠিন হয়?”… “যদি আমি fail করি?”

আসলে কী ঘটনা ঘটছে?

এই মুহূর্তে করণীয় কী? (ছাত্রছাত্রীদের জন্য টিপস)

পরীক্ষার হলে এমন প্যানিক সিচুয়েশন তৈরি হলে ৩টি ছোট কাজ করা যেতে পারে

কলম নামিয়ে রাখুন ও বক্স ব্রিদিং করন (ছবি: AI)

Anxiety vs Panic Attack

মনোবিজ্ঞানের ভাষায়, Anxiety হলো ধীরে ধীরে জমে ওঠা দুশ্চিন্তা, আর Panic Attack হলো হঠাৎ তীব্র ভয় ও শারীরিক প্রতিক্রিয়ার ঢেউ। অনেক সময় প্যানিক অ্যাটাকের থেকেও বেশি কষ্টদায়ক হয়ে ওঠে “আবার যদি এমন হয়”—এই আশঙ্কা।

Overthinking: মনের অন্তহীন লুপ, আমরা প্রায়ই এমন কিছু ভাবি-
“যদি খারাপ কিছু হয়?”
“ওরা কী ভাবছে?”

এই একই চিন্তা যখন বারবার ফিরে আসে, তখন তাকে বলা হয় overthinking বা rumination। এটি কোনও সমাধান দেয় না; বরং মস্তিষ্ককে সবসময় “threat mode”-এ আটকে রাখে এবং উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে তোলে।

এড়িয়ে চলা-সমাধান নয়: ভয় লাগে এমন পরিস্থিতি এড়িয়ে চলা প্রথমে স্বস্তি দিলেও, দীর্ঘমেয়াদে সমস্যা বাড়ায়। মস্তিষ্ক তখন শিখে নেয় যে সেই পরিস্থিতি সত্যিই বিপজ্জনক। ফলে ভয় আরও বাড়ে এবং একটি anxiety-avoidance cycle তৈরি হয়, যা ধীরে ধীরে আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে সীমিত করে ফেলে।

শরীরের ভিতরের বিজ্ঞান: “গ্যাস প্যাডেল” ও “ব্রেক’ আমাদের স্নায়ুতন্ত্র মূলত দুটি সিস্টেমে কাজ করে।
একটি হলো Sympathetic System যা বিপদের সময়ে শরীরকে সক্রিয় করে, যেমন গাড়ির গ্যাস প্যাডেল, এবং “fight or fight” mode-এ কাজ করে। অন্যটি হলো Parasympathetic System যা শরীরকে শান্ত করে, যেমন ব্রেক।

গভীর ও ধীর শ্বাস নেওয়ার মাধ্যমে এই “ব্রেক” সিস্টেম সক্রিয় করা যায়। তখন মস্তিষ্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা পায়- ‘আমি নিরাপদ।” এই “ব্রেক”-টি সক্রিয় করার প্রধান চাবিকাঠি হলো vagus nerve।

হঠাৎ প্যানিক হলে কী করবেন?

এমন পরিস্থিতিতে কিছু সহজ কৌশল খুব কার্যকর হতে পারে।

তৎক্ষণাৎ করণীয়: Panic Situation সামলানো

  1. Box Breathing: ৪ সেকেন্ড ধীরে ধীরে শ্বাস নেওয়ার চেষ্টা করুন→৪ সেকেন্ড শ্বাসটি ধরে রাখার চেষ্টা করুন→৪ সেকেন্ড ধীরে ধীরে শ্বাস ছাড়ার চেষ্টা করুন→৪ সেকেন্ড বিরতি।
  2. Grounding Technique (5-4-3-2-1): চারপাশে তাকিয়ে ৫টি জিনিস লক্ষ্য করুন, ৪টি জিনিস স্পর্শ করে অনুভব করুন, ৩টি শব্দ মনোযোগ দিয়ে শুনুন, ২টি গন্ধ শুঁকে দেখুন এবং ১টি স্বাদ অনুভব করার চেষ্টা করুন।
  3. Positive Self-talk: পজিটিভ সেলফ টক হলো নিজের সঙ্গে এমনভাবে কথা বলা, যা আমাদের ভরসা দেয়, সাহস বাড়ায় এবং মনকে শক্ত করে। নেতিবাচক চিন্তা আসতেই পারে, কিছু সেটাকে ধীরে ধীরে বদলে নিজের প্রতি সহানুভূতিশীল ও সমর্থনমূলক কথা বলাই আসল উদ্দেশ্য। সহজ করে বললে-
    “আমি পারব না”→ “আমি চেষ্টা করছি, ধীরে ধীরে শিখে নেব”
    এই ছোট ছোট কথাওলোই আমাদের আত্মবিশ্বাস আর মানসিক শক্তি গড়ে তোলে। উদাহরণ- নিজেকে বলুন- “আমি নিরাপদ”… “এই অনুভূতিটা কেটে যাবে”
  4. দৈনন্দিন জীবনে ছোট পরিবর্তন, বড় প্রভাব: অ্যাংজাইটি নিয়ন্ত্রণে বড় কোনও পরিবর্তনের দরকার নেই; ছোট ছোট অভ্যাসই অনেক পার্থক্য গড়ে দেয়। দীর্ঘমেয়াদে নিয়ন্ত্রণের উপায়-
  5. শারীরিক সক্রিয়তা: প্রতিদিন চেষ্টা করুন ২০-৪০ মিনিট হাঁটতে বা হালকা ব্যায়াম করতে। এটি আপনার মস্তিষ্কে endorphin বাড়াতে সাহায্য করে। Endorphin হলো শরীরের natural painkiller বা mood boosters।
  6. Mindfulness: বর্তমান মুহূর্তে মন দিন-স্বাস, শরীরের অনুভুতি বা চারপাশে কী হচ্ছে তা সচেতনভাবে লক্ষ্য করুন। এতে মন ধীরে ধীরে শান্ত হয় এবং অস্থিরতা কমে। চিন্তা এলে তাকে আটকে রাখার চেষ্টা না করে শুধু লক্ষ্য করুন, আসতে দিন আবার চলে যেতে দিন। ধীরে ধীরে মন বর্তমানেই স্থির হতে শেখে।
  7. Journaling: জার্নালিং হলো মনের ভিড়কে কাগজে নামিয়ে আনার এক সহজ উপায়। যখন অনেক চিন্তা একসঙ্গে মাথায় ঘোরে, সেগুলো লিখে ফেললে মনটা হালকা লাগে। একই সঙ্গে সমস্যাগুলো পরিষ্কারভাবে বোঝা যায়, আর সমাধান ভাবাও সহজ হয়ে ওঠে। সহজ করে বললে-জার্নালিং আমাদের নিজের সঙ্গে একটু গভীরভাবে সংযোগ করতে সাহায্য করে।
  8. Hobbies & Creativity: নিজের পছন্দের কাজ যেমন- গান, আঁকা, বই পড়া-এসব কাজ করার চেষ্টা করুন। এগুলো আপনার মস্তিষ্ককে সৃজনশীল রাখতে সাহায্য করবে। (Anxiety and Panic Attack)
  9. Pranayama: অনুলোম-বিলোম, ভ্রমরী এবং আরও বিভিন্ন শ্বাসপ্রশ্বাসের প্রাণায়াম আপনার স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত করতে সাহায্য করবে। চেষ্টা করুন সকালে অন্তত ৩০ মিনিট প্রাণায়ামের জন্য সময় বের করে নেওয়ার।
  10. Digital Detox: আজকের দিনে আমরা প্রায় সারাক্ষণই স্ক্রিনের সঙ্গে যুক্ত, যার ফলে বাড়ছে stress, ঘুমের সমস্যা, মনোযোগের ঘাটতি এবং উদ্বেগ। চেষ্টা করুন ঘুমের অন্তত এক ঘন্টা আগে no screen time রাখার। ঘুমোনোর আগে ওই সময়টিতে কিছু POSITIVE AFFIRMATIONS practice করতে পারেন।
  11. পজিটিভ অ্যাফার্মেশন হলো এমন কিছু ইতিবাচক বাক্য, যা আমরা প্রতিদিন নিজের কাছে বলি নিজের মনকে শক্তিশালী, আত্মবিশ্বাসী এবং শান্ত রাখার জন্য। যেমন- “আমি প্রতিদিন একটু একটু করে এগিয়ে যাচ্ছি।”
    “আমি শান্ত, স্থির এবং নিরাপদ।”
    “আমি নিজের প্রতি সদয় এবং ধৈর্যশীল।”
  12. সম্পর্কের যত্ন: সারাদিনের ব্যস্ততার মধ্যে চেষ্টা করুন কিছু সময় প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর, সেটি আপনার স্ট্রেস কমাতে কার্যকর হবে।
  13. Meditation & chanting: চোখ বন্ধ করে শ্বাসপ্রশ্বাসের দিকে মনোযোগ দিন, সেই অবস্থায় ধীরে ধীরে শ্বাসপ্রশ্বাস নিন, দীর্ঘশ্বাস নেওয়া এবং ছাড়া অনুভব করুন। এবং মনকে এই শ্বাসের প্রক্রিয়ার দ্বারা আনন্দ অনুভব করান। যদি কোনও চিন্তা আসে বিচলিত না হয়ে যেমন আসছে আসতে দিন এবং যেতেও দিন। আপনি শ্বাসের প্রক্রিয়ার উপরেই মনোনিবেশ করে থাকুন। অথবা একটি শব্দ/মন্ত্র (যেমন “শান্তি বা ওম’) ধীরে ধীরে বারবার জপ করুন।
  14. ভ্রমণ করা: মাঝে মাঝে নতুন জায়গায় ঘুরতে যান, পরিবেশ বদলান এবং মনকে একটু ফ্রেশ হতে দিন।
  15. নিজের জন্য সময় (Me Time): নিজের জন্য কিছুটা সময় আলাদা রাখুন-যা ভালো লাগে তা করুন এবং মনকে একটু বিশ্রাম দিন।
ছবিটি প্রতীকী (সৌজন্যে AI)

কখন বিশেষজ্ঞের সাহায্য বা কো-রিলেশন জরুরি?

ক্লিনিকাল কো-রিলেশন দরকার হয় তখন যখন উপসর্গ কে শুধু চাপ বলে উড়িয়ে দেওয়া আমাদের জন্য নিরাপদ নয়। যেমন উদ্বেগ, অনিদ্রা, restlessness বা বুক ধড়ফড়। দীর্ঘদিন থেকে বারবার প্যানিক অ্যাটাক হয় এবং অ্যাটাকের ভয়ে জীবনযাত্রা বদলে যায়। কাজ, পড়াশোনা, সম্পর্ক বা social functioning ক্ষতিগ্রস্ত হয়। Chest pain, dizziness, faint feeling বা shortness of breath-এর মতো শারীরিক লক্ষণ দেখা দেয়।

বিশেষ বার্তা
অ্যাংজাইটি কোনও দুর্বলতা নয়; এটি আমাদের মনের একটি স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া, যা কখনও কখনও মাত্রা ছাড়িয়ে যায়। সঠিক জ্ঞান, সচেতনতা এবং প্রয়োজনে পেশাদার সহায়তা-এই তিনটি বিষয়ই আমাদের আবার মানসিক ভারসাম্যে ফিরিয়ে আনতে পারে।

মনে রাখবেন, কুয়াশা যেমন স্থায়ী নয়, অ্যাংজাইটিও তেমনই। সঠিক দিশা পেলে একসময় তা কেটে যায়। তার জায়গা নেয় এক শান্ত, স্থির মন।

আপনার সুস্থতা ও সচেতনতাই আমাদের কাম্য। প্রতিবেদনটি ভালো লাগলে শেয়ার করে অন্যকে সচেতন হতে সাহায্য করুন।


লেখক পরিচিতি

ব্রততী সিনহা রায় একজন পেশাদার কাউন্সেলিং সাইকোলজিস্ট এবং সাইকোথেরাপিস্ট। তবে তাঁর কাজের ধরনকে আলাদা করে তোলে তাঁর গভীর মানবিকতা ও হিউম্যানিস্টিক অ্যাপ্রোচ। তিনি শুধুমাত্র সমস্যার সাময়িক সমাধানে বিশ্বাসী নন; বরং মানুষের ভেতর থেকে সম্পূর্ণভাবে সুস্থ হয়ে ওঠার পথ তৈরি করাই তাঁর মূল লক্ষ্য।

তিনি একটি হলিস্টিক অ্যাপ্রোচ অনুসরণ করেন, যেখানে বিভিন্ন ধরনের থেরাপির পাশাপাশি মানুষের মানসিক সুস্থতার ক্ষেত্রে স্পিরিচুয়াল দিককেও গুরুত্ব দেন। এই সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গিই তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তোলে।

নিজের জীবনের নানা অভিজ্ঞতা তাঁকে এমন এক জায়গায় এনে দাঁড় করিয়েছে, যেখানে তিনি মানুষের মানসিক কষ্টকে গভীরভাবে উপলব্ধি করতে পারেন। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই তাঁর মধ্যে তৈরি হয়েছে মানুষের পাশে থাকার, তাদের ভালো রাখার এবং তাদের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার এক আন্তরিক ইচ্ছা।

এই বিশ্বাস এবং শিক্ষা থেকেই তিনি নিজেকে প্রতিনিয়ত আরও সমৃদ্ধ করে তুলছেন—শুধু একজন পেশাদার হিসেবে নয়, একজন মানুষ হিসেবেও—যাতে তিনি অন্যদের জীবনে সত্যিকারের সুস্থতা ও শান্তি নিয়ে আসতে পারেন।



Exit mobile version