রঞ্জি ট্রফির সেমিফাইনালে জম্মু ও কাশ্মীরের বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থেকেও এখন চাপে বাংলা। চলতি মরশুমে মহম্মদ শামি, মুকেশ কুমার, আকাশ দীপদের মতো তারকা বোলার এবং দুই সুদীপ, সুমন্ত গুপ্তদের ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে বাংলাকে ‘কমপ্লিট প্যাকেজ’ বলা হচ্ছিল (Bengal vs Jammu Kashmir)। কিন্তু ম্যাচের তৃতীয় দিনের শেষে ছবিটা কিছুটা পাল্টেছে।
প্রথম ইনিংসে বাংলার ৩২৮ রানের জবাবে জম্মু ও কাশ্মীর অলআউট হয় ৩০২ রানে। দুরন্ত বোলিংয়ে ৮ উইকেট নেন মহম্মদ শামি, সঙ্গে ২টি উইকেট মুকেশ কুমারের। ফলে বাংলা ২৬ রানের গুরুত্বপূর্ণ লিড পায়। মনে হচ্ছিল ম্যাচের রাশ শক্তভাবে ধরে ফেলেছে অভিমন্যু ঈশ্বরণের দল।
কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং ভরাডুবি ঘটে। মাত্র ২৫.১ ওভারে ৯৯ রানে গুটিয়ে যায় বাংলা। শাহবাজ আহমেদ সর্বোচ্চ ২৪ রান করেন। আকিব নবি ও সুনীল কুমার চারটি করে উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাকে চাপে ফেলে দেন। ফলে জম্মু ও কাশ্মীরের সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১২৬ রান।
উন্নত চিকিৎসা দেওয়া হোক, Imran Khan-এর পাশে দাঁড়িয়ে পাক সরকারকে চিঠি গাভাস্কর থেকে কপিল দেবের
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই আঘাত হানে বাংলা। আকাশ দীপ দ্রুত দুই ওপেনারকে ফিরিয়ে দেন—শুভম খাজুরিয়া ও ইয়াওয়ার হাসান আউট হন। তবু শুভম সিং পুন্ডির ও বংশরাজ শর্মার জুটি দলকে এগিয়ে নিয়ে যায়। তৃতীয় দিনের শেষে জম্মু ও কাশ্মীরের স্কোর ২ উইকেটে ৪৩। জয়ের জন্য তাদের দরকার আর ৮৩ রান, আর বাংলার প্রয়োজন ৮টি উইকেট।
ম্যাচের বাকি দুই দিন বাংলার সামনে কার্যত অ্যাসিড টেস্ট। বোলারদের উপরই এখন নির্ভর করছে ফাইনালের টিকিট। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের মতে, ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে হলে দ্রুত উইকেট তুলে নিতে হবে। নাহলে এত ভালো শুরু করেও ট্রফির স্বপ্ন অধরাই থেকে যেতে পারে।

