Site icon Hindustan News Point

Bengal vs Uttarakhand Santosh Trophy: সঞ্জয় সেনের লাস্ট মিনিট সাজেশন, সন্তোষ ট্রফির দ্বিতীয় ম্যাচেও জয় বাংলার

bengal vs uttarakhand santosh trophy

নাগাল্যান্ডের বিরুদ্ধে বড় জয়ের পর সন্তোষ ট্রফির দ্বিতীয় ম্যাচে যে লড়াই সহজ হবে না, তা আগেই আন্দাজ করেছিলেন কোচ সঞ্জয় সেন। শুক্রবার অসমের মাটিতে উত্তরাখণ্ডের বিরুদ্ধে সেই আশঙ্কাই সত্যি হল। শেষ মুহূর্তের একমাত্র গোলে ১-০ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে অবশ্য পরের পর্বের পথে অনেকটাই এগিয়ে গেল বাংলা।

শুরুর মিনিট থেকেই গা-জোয়ারি ফুটবল আর আঁটসাঁট জোনাল মার্কিংয়ে বাংলাকে চাপে রাখে উত্তরাখণ্ড। মাঝমাঠে জায়গা কমিয়ে রবি হাঁসদা, সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়দের কার্যত নিষ্ক্রিয় করে দেয় তারা। প্রথম ম্যাচে যে আক্রমণভাগ এত ধারাল ছিল, এ দিন তা অনেকটাই ভোঁতা দেখাল। সুযোগ তৈরি হলেও শেষ মুহূর্তের সিদ্ধান্তে ঘাটতি ছিল স্পষ্ট।

সন্তোষে চূড়ান্ত অব্যবস্থা, অজুহাত দিতে নারাজ সঞ্জয় সেন

এর সঙ্গে যোগ হয়েছিল যাত্রাপথের ক্লান্তি। হোটেল থেকে স্টেডিয়ামে পাঁচ ঘণ্টার যাতায়াত, ব্যস্ত সূচি—সব মিলিয়ে শারীরিক ও মানসিক চাপ কম ছিল না। উত্তম হাঁসদা চোটের কারণে প্রথম একাদশে না থাকায় আক্রমণে ভারসাম্য খুঁজতেও সময় লেগেছে।

প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধেও ম্যাচের রাশ পুরোপুরি নিজের হাতে নিতে পারেনি বাংলা। বরং প্রতিআক্রমণে কয়েকবার ভয় ধরিয়েছিল উত্তরাখণ্ড। ঠিক তখনই কোচের তুরুপ চাল—রবি হাঁসদাকে তুলে নামানো হল নরহরি শ্রেষ্ঠাকে। গতবারের চ্যাম্পিয়ন অভিযানের নায়ক আবারও ভরসার প্রতীক হয়ে উঠলেন।

৯০ মিনিট পেরিয়ে সংযুক্তি সময়ে প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের আড়াল থেকে ঘুরে গিয়ে নরহরির নিখুঁত শট জালে জড়াতেই বদলে গেল ছবিটা। বেঞ্চে ছড়িয়ে পড়ল স্বস্তির উচ্ছ্বাস।

ম্যাচের শেষে সঞ্জয় সেন বললেন, “ছেলেরা ধৈর্য ধরতে পেরেছে বলেই শেষ মুহূর্তে ফল এসেছে।” টানা দুই জয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়লেও, কোচের বার্তা স্পষ্ট—পরের ম্যাচে আরও ধারালো ও নিখুঁত হতে হবে বাংলাকে।

Exit mobile version